ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া ঘূর্ণিঝড়ে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সাথে সাথে সুগন্ধা ও বিশথালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
কোথাও কোথাও পাঁচ থেকে সাত ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার চার উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ঘর বাড়ি তলিয়ে গেছে।
ঝালকাঠি সদরের কলাবাগান, লঞ্চঘাট, সবুজবাগ রাজাপুর উপজেলার পালট বড়ইয়া, কলাকেপা কাঠালিয়া উপজেলার লঞ্চঘাট এলাকা, আরুয়া বাজার, জয়খালী, চিংড়াখালী, বড় কাঠালিয়া, শৌলজালিয়া, কুচুয়া খেয়াঘাট এলাকায় সুগন্ধা ও বিশখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলায় অন্তত ৫০ গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
মাছের ঘের তলিয়ে গেছে, কৃষকের ফসলি জমি ও কৃষির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়াও বুধবার রাতে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট এলাকায় একটি বড় রেইন্ট্রি গাছ পড়ে একটি বসতঘর ও একটি ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাব কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ।
জেলার ৪৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে গতকাল রাত পর্যন্ত প্রায় বিশ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।
নদী উত্তাল থাকায় সুগন্ধা ও বিশখালী নদীতে সব ধরনের নৌযান চলাচল এখনো বন্ধ রয়েছে।