অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী শিকার ও বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেবে চীন। শুক্রবার সরকারি একটি প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা যায়।
বিবিসি জানায়, করোনা সংক্রমণ রোধে ফেব্রুয়ারি থেকে বন্যপ্রাণীর ব্যবসা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে চীনা সরকার। এখন সেটি স্থায়ীভাবে করা হচ্ছে।
নতুন প্রস্তাবিত আইনটি এখনও খসড়া হিসেবে আছে। শিগগিরই আইনপ্রণেতাদের সামনে সেটি হাজির করা হবে। বন্যপ্রাণী শিকার ও বাণিজ্য রোধে এই আইনে কঠোর শাস্তি প্রস্তাব করা হয়েছে।
দেশটির হুবেই প্রদেশের উহান শহরের একটি প্রাণী বেচাকেনার মার্কেট থেকে নভেল করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে, এমন প্রবল বিশ্বাস অনেক বিশেষজ্ঞের।
ধারণা করা হয়, বাদুড় থেকে ভাইরাসটি মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। এর মধ্যে এই ভাইরাস পৃথিবীজুড়ে তিন লাখ ৩২ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।
কভিড-১৯ সংক্রমণের শুরুতেই উহানের সেই বাজারটি আলোচনায় আসে এবং চীনা নাগরিকদের দেশি বিদেশি বন্যপ্রাণী খাওয়ার যে ঐতিহ্য, তা চরমভাবে সমালোচিত হয়।
এর মধ্যে উহান ও শাংহাই প্রদেশের কর্তৃপক্ষ, বন্যপ্রাণী খাওয়ার ওপর আনুষ্ঠানিকভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
এ ছাড়া অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য বন্ধ করতে চীনের কৃষকদের নগদ অর্থ সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির সরকার। এই জন্য বিদেশি প্রাণী লালনপালন বা উৎপাদণের প্রক্রিয়া থেকে সরে আসতে হবে।
ইতিমধ্যে দেশটির প্রধানতম দুইটি প্রদেশ এমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। বিদেশি বন্যপ্রাণী চাষ ও লালনপালন থেকে সরে আসতে কৃষক ও খামারীদের চা ও ভেষজ ওষুধ উৎপাদনে সহায়তা করবে হুনান ও চিয়াংসি কর্তৃপক্ষ