ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিকাশ চলছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ক্ষয়ক্ষতির পুরোপরি তথ্য পেতে অনেক দেরি হবে।
তাৎক্ষণিক পওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙেছে। ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে প্রতিদিন দুইবার জোয়ারের পানি ঢুকে এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে। পুকুরের মাছ ভেসে গেছে, শাকসবজি ও বীজতলা নষ্ট হয়েছে।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন জানান, হাতিয়ার ১২২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে তমরদ্দি, সোনাদিয়া ও চরকিং ইউনিয়নের ৮ কিলোমিটার সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে।
এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যানরা জানান, সুখচর,নলচিরা ও চরঈশ্বর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, উপজেলার বিভিন্ন্ ইউনিয়নের ৩৫০ হেক্টর জমির আউশ বীজতলা এবং ৫১০ হেক্টর জমির শাকসবজি নষ্ট হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন জানান, নিঝুমদ্বীপের ১০০টিসহ হাতিয়ার বিভিন্ন এলাকার এক হাজার পুকুর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব পুকুরের সব মাছ ভেসে গেছে।