করোনা মহামারির বিশেষ পরিস্থিতিতে সোমবার মসজিদেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে হবে। সংক্রমণ রোধে মসজিদে ঈদের জামাতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করতে বলা হয়েছে।
করোনার সংক্রমণ এড়াতে সরকারি নির্দেশনায় এবার খোলা জায়গায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে মসজিদে। যারা মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসবেন, তাদের প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মুখে মাস্ক পরিধান করতে হবে। নামাজ আদায় করার সময় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি এবং বৃদ্ধরা ঈদের নামাজে অংশ নিতে পারবেন না।
যা মানতে হবে
স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য অনুরোধ করে ধর্ম মন্ত্রণালয় গত ১৪ মে এক নির্দেশনা জারি করে। সেখানে চলতি বছর ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের নামাজের জামাত কাছের মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হয়।
ঈদের নামাজ আদায়ের সময় মসজিদে কার্পেট বেছানো যাবে না। নামাজের আগে জীবাণুনাশক রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
করোনার সংক্রমণ রোধে অজু করার স্থানে সাবান অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদের প্রবেশপথে সাবান অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। যারা মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসবেন, তারা যেন বাসা থেকে অজু করে আসেন। অজু করার সময় ২০ সেকেন্ড করে হাত ধুতে হবে। মসজিদে নামাজ আদায় করতে হলে অবশ্যই মাস্ক পরে আসতে হবে।
ঈদের নামাজ আদায় করার পর কোলাকুলি কিংবা হাত মেলানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সবার সুবিধার্থে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে মুসল্লিদের অনুরোধ করা হয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া আদায় করার জন্য মসজিদের খতিব ও ইমামদের অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।