কেক-পানি নিয়ে বিদ্যুৎকর্মীদের পাশে মিমি

করোনার প্রকোপ ও লকডাউনের জেরে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি তলানিতে। এর মধ্যে উপস্থিত ঘূর্ণিঝড় আম্পুন। যার দাপটে বিধ্বস্ত নাগরিক জীবন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোনো কোনো অঞ্চলে বিদ্যুৎ এসেছে ৬ দিন পর। কলকাতার শহর জুড়ে উপড়ে পড়ে অজস্র গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি।

এই দুর্যোগের মধ্যে কাজ করে চলেছেন বিদ্যুৎকর্মীরা। কিন্তু বিদ্যুৎ না আসায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে। কর্মীদের বেঁধে রাখা, মারধরসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার যাদবপুরের বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শনে যান অভিনেত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। গাছ কাটার কর্মীদের হাতে তুলে দিলেন কেক ও পানি।

সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মিমি লেখেন, “গড়িয়া, পাটুলী, গল্ফগ্রিন ও যাদবপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পুনরায় সচল করবার কাজ চলছে .. আমাদের জন্য এই উত্তাপের মধ্যেও যারা নিরলসভাবে চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করছেন তাদের পানির বোতল, বিস্কুট, মুড়ি, গ্লুকোজ পানি দিয়ে আপনি যদি পারেন তবে সাহায্য করুন …।”

আরও লেখেন, “... এটাই মানুষকে বলার যে আমাদের কাজ চলছে .. এটা একটা ছোটখাটো দুর্যোগ হয়নি, তবু আমরা চেষ্টা করছি পরিস্থিতি ঠিক করবার জন্য ... পাশে থাকুন একটু ওই মানুষগুলোকেও সাহায্য করুন যারা বিদ্যুৎ ঠিক করতে এবং গাছ কাটতে আসছেন। আপনার একটু সহযোগিতা পেলে ওরাও কাজটা তাড়াতাড়ি করবে ... ওদের সাথে কোনোরকম ঝামেলা করবেন না ... আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি ... ভালো থাকবেন।”

লকডাউনেও মিমি ও তার টিম এলাকাবাসীর জন্য প্রচুর কাজ করেছেন। খাবার থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সবই পৌঁছে দিয়েছেন। এমনকী জরুরি ভিত্তিতে ওষুধও পৌঁছে দিয়েছেন। খাবারের বন্দোবস্ত করেছেন পথকুকুরদেরও।