করোনার চিকিৎসায় পাকিস্তানে ব্যয়বহুল ইনজেকশনের অনুমোদন

করোনায় সংক্রমিত গুরুতর অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় পাকিস্তানের পাঞ্জাব সরকার টোসিলিজুমাব ইনজেকশন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

দেশটির গণমাধ্যম দ্য ডন জানিয়েছে, যেসব রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পথে রয়েছে তাদেরকে এই ওষুধটি দেয়া হবে। এর একটি ডোজের দাম ৬০ হাজার রুপি।

পাঞ্জাব প্রদেশের শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, ‘আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রোগীদের এই ইনজেকশন দেয়ার অনুমতি দিয়েছি আমরা। সাধারণত দুই ডোজ দিলে সুফল পাওয়া যায়।’

প্রদেশটির সব হাসপাতালে আপাতত ২০ ডোজ করে ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

পাঞ্জাব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দাবি, এই ইনজেকশন ব্যবহারে গুরুতর অসুস্থ রোগীরা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সুস্থ হয়ে যায়।

পাকিস্তান সরকারের তথ্য অনুযায়ী, কভিড-১৯ রোগে পাঞ্জাবে এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ১১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অঞ্চলটিতে ঠিক কতজন মারা গেছেন সেটি অবশ্য জানা যায়নি। গোটা পাকিস্তানে ৬১ হাজার ২২৭ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি মারা গেছেন ১২৬০ জন।

কোনো প্রতিষেধক না থাকা কভিড-১৯ রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা বের করতে অনেক দেশ উঠেপড়ে লেগেছে। আমেরিকার পর রেমডিসিভির নামের একটি ইনজেকশন বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আমেরিকায় ১২টি কোম্পানি চেষ্টা করছে ভ্যাকসিন তৈরি করার। দেশটির সঙ্গে যৌথভাবে জার্মানি আরেকটি নিয়ে কাজ করছে। চীনে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচটি ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়ালের কথা শোনা গেছে।