বায়ার্নের টানা আট শিরোপা নিশ্চিত!

বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ আবারও চ্যাম্পিয়ন হতে চলেছে। টানা অষ্টমবার জার্মান লিগ শিরোপা তাদের ট্রফিকেসে সাজবার অপেক্ষায়। আর ছয় ম্যাচ বাকি। বিরাট কোনো অঘটন না ঘটলে সামনের মাসেই শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে ম্যানুয়েল ন্যুয়ার-রবার্ট লেভানডোস্কিরা। গত মঙ্গলবার পয়েন্ট তালিকায় সবচেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে এই সাফল্য নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন। ‘ক্লাসিকের’টি ডর্টমুন্ডের মাঠে হলেও তাদের শিরোপা জয়ের ক্ষীণ স্বপ্ন ভ-ুল হয়ে যায় জশুয়া কিমিচের অবিশ্বাস্য গোলে।

গত সপ্তাহেই বায়ার্নকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো দলগুলোর সবকটি হতাশ করেছে নিজ নিজ ম্যাচে। তাই বাভারিয়ানদের  শিরোপা জয় রুখবার মতো দল একটিও নেই। মঙ্গলবারের জয়ে ২৮ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন। সমান ম্যাচে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ডর্টমুন্ডের ৫৭। মানে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৭ পয়েন্টের। ডর্টমুন্ড তো নিজেরাই বায়ার্নের কাছে হেরেছে। এছাড়া তালিকায় পরের দুই দল মুনশেনগ্লাডবাখ ও বেয়ার লেভারকুসেনের সম্ভাবনা ছিল শিরোপা লড়াইয়ে আসার। কিন্তু ভলসবুর্গের কাছে লেভারকুসেনের ৪-১ গোলে হার, ব্রেমেনের সঙ্গে মুনশেনগ্লাডবাখের গোলশূন্য ড্র ও হার্থা বার্লিনের সঙ্গে লেইপজিগের ২-২ গোলের ড্র বুন্দেসলিগার শিরোপা লড়াই থামিয়ে দেয়।

এই রাউন্ড শেষে ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৫৭, লেইপজিগ ৫৫, সমান ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে চার ও পঞ্চম অবস্থানে মুনশেনগ্লাডবাখ এবং লেভারকুসেন। মৌসুমের বাকি ৬ ম্যাচে বায়ার্নের সঙ্গে দলগুলোর যে দূরত্ব তা কামিয়ে আনা একপ্রকার অসম্ভব। তাছাড়া বায়ার্ন যে বাকি ৬ ম্যাচে হারবেই পরিসংখ্যান এমনটা বলছে না। গত ১৪ ম্যাচের ১৩টিতে জিতেছে বাভারিয়ানরা। এমন অবস্থায় বায়ার্নকে টপকে শিরোপা জিততে হলে তালিকায় সেরা পাঁচে থাকা বাকি দলগুলোর যেকোনো একটিকে টানা ছয় ম্যাচ জেতার পাশাপাশি বায়ার্নের তিন ম্যাচে হারের প্রার্থনা করতে হবে। তাই কাগজে-কলমে তো বটেই খালি চোখেও করোনাপরবর্তী বুন্দেসলিগায় মাত্র দুই ম্যাচে শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে বায়ার্ন। বাকি দলগুলোর জন্য এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিতের লড়াই।

এককথায় মঙ্গলবারই শিরোপাজয়ী ম্যাচ খেলে ফেলেছে বায়ার্ন। আর শিরোপাজয়ী গোল করেছেন জশুয়া কিমিচ। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ডর্টমুন্ড গোলরক্ষক রোমান বুয়েরকিকে বোকা বানান এই জার্মান। এ নিয়ে মৌসুমে তৃতীয়বার বক্সের বাইরে থেকে গোল করলেন কিমিচ। তবে সবগুলোর চেয়ে এই গোলটিকেই এগিয়ে রাখলেন।