ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালুর পর থেকে গত বুধবার পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করা ১৯ জন থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই সময়ে আক্রান্ত ৬ জনকে প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান ও প্লাজমা থেরাপির সাব-কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এ খান এসব তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, ঈদের আগে থেকে শ্বাসকষ্টে ভোগা ৬ জনের শরীরে প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্লাজমা দানকারীদের ভয়ের কোনো কারণ নেই, তারা নিরাপদ থাকবেন। কোনো ধরনের রি-ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
অন্যদিকে করোনা ইউনিটে গত ২ মে থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ২৭ দিনে নারী-পুরুষসহ ৩০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৭০ জন কভিড-১৯ পজিটিভ, বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। আর বিগত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত ৪ জন, দুই নারীসহ অন্যরা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। গতকাল পর্যন্ত করোনা ইউনিটে ২ হাজার ৫০০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে শিশুসহ ৩৫৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মজিবুর রহমান জানান, বর্তমানে চিকিৎসাধীন অনেক রোগীকে করোনার পাশাপাশি ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। বেশ কয়েকজনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমকেএম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘করোনা ইউনিটে মারা যাওয়া সবাই কভিড-১৯ পজিটিভ নন। শ্বাসকষ্ট, কাশির মতো উপসর্গ ছাড়াও অনেকে বিভিন্ন রোগ নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন।