নভেল করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির চেষ্টায় থাকা ওষুধ প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ট্রায়ালে অংশ নেয়া স্বেচ্ছাসেবীদের (সাবজেক্ট) ভাইরাসটিতে সংক্রমিত করে পর্যবেক্ষণে রাখার পরিকল্পনা করছে!
কভিড-১৯ রোগের প্রকোপ বিশ্বের বেশ কিছু অঞ্চলে কমে আসছে। এভাবে সংক্রমণের হার কমতে থাকলে টিকার ট্রায়াল থেকে শতভাগ সঠিক ফলাফল পাওয়া অসম্ভব।
অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাস্কাল সরিওট সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, ভেবেচিন্তে কিছু সুস্থ সেচ্ছাসেবীকে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত করা হতে পারে। সংক্রমণ কম থাকলে ফলাফল বুঝতে এটি করা হবে।
এই সিদ্ধান্ত এখনই অবশ্য বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না।
‘সমস্যা হল, আমরা সবাই সময়ের বিরুদ্ধে লড়ছি,’ মন্তব্য করে সরিওট বলেন, ‘ইউরোপে ইতিমধ্যে রোগটির প্রকোপ কমে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ চলমান থাকলেও কমে যাবে বলে মনে হচ্ছে। তাতে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ কঠিন হবে। সুতারং আমাদের দ্রুত অগ্রসর হতে হবে।’
অ্যাস্ট্রাজেনেকা কাজ করছে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে। কোম্পানিটি বলছে, বছরের শেষ নাগাদ তারা ভ্যাকসিনের কয়েক লাখ ডোজ প্রস্তুত করবে।
এই কোম্পানির পাশাপাশি মর্ডানা, ফাইজার, জনসন অ্যান্ড জনসন, সানোফি, গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন এবং মার্কের মতো বড় ও ছোট ওষুধ প্রস্তুতকারী এবং বায়োটেক সংস্থাগুলো ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় আছে।
অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও মর্ডানা এবং চীন জানিয়েছে, তাদের ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে প্রথম ধাপে সফলতা পাওয়া গেছে।
চীন কিছুদিন আগে জানিয়েছে, তাদের দেশে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় ট্রায়াল শেষ হওয়ার আগে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।