নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় এবার গৃহকর্মী কিশোরী মারুফা আক্তার হত্যার বিচার চাইলেন মুক্তিযোদ্ধারা। সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলার শহীদ মিনারের সামনের সড়কে মুক্তিযোদ্ধা ও সম্মিলিত নাগরিক সমাজের ব্যানারে এক মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধারা দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে আসামিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হক, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি, মোহনগঞ্জের নাগরিক উন্নয়নের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক মাহবুব, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল আলম টিপু, সাধারণ পাঠাগারের সহ-সভাপতি সুলতান আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত রনি, আওয়ামী লীগ নেতা এমদাদুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক মারুফার মা আকলিমা আক্তারকে নগদ অর্থ সহায়তা করেন।
এ সময় মুক্তিযোদ্ধারা ঘোষণা করেন, তাদের সবার সরকারি ভাতা থেকে টাকা দিয়ে মারুফার মাকে সব ধরনের সহায়তা করবেন।
৯ মে বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউপির চেয়ারম্যান শাহ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনের মোহনগঞ্জ বাসায় গৃহকর্মী কিশোরী মারুফা আক্তার (১৪) আত্মহত্যা করেছে জানিয়ে চেয়ারম্যান নিজেই লাশ নিয়ে হাসপাতালে যান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। লাশের স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন দেখে এলাকাবাসী ও মারুফার মা মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ তোলেন।
এ ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসীর হস্তক্ষেপে হত্যা মামলা নেন মোহনগঞ্জ থানার ওসি আবদুল আহাদ খান। পরে চেয়ারম্যান কাঞ্চনকে আটক করে পুলিশ। ১২ মে কোর্টে সোপর্দ করলে একদিন বাদেই ১৪ মে জামিন নিয়ে বেরিয়ে যান অভিযুক্ত চেয়ারম্যান কাঞ্চন।