প্রতি বছর মে, জুন, জুলাই এ তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ আহরণ,পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এ তিন মাস নৌ পুলিশ ও বিএফডিসি, রাঙামাটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল, জলযান ও বেআইনিভাবে ধরা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জব্দ করে যাচ্ছে। তারা অপরাধীদের আইনের আওতায়ও আনছে।
নৌ পুলিশের ডিআইজি জনাব মো. আতিকুল ইসলাম ২০২০-২০২১ এর কাপ্তাই হ্রদে মাছ উৎপাদন সম্পর্কে দেশ রূপান্তরকে বলেন, নৌ পুলিশ কাপ্তাই লেকে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এবং এর উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর তৎপর। নৌ পুলিশ সদস্যের অভিযানিক তৎপরতায় এ বছর ১৯ হাজার টন মাছ উৎপাদনে সহায়তা করবে এবং আশা করা যায় প্রায় ২৪ থেকে ২৫ কোটি টাকা অর্জিত হবে । মৎস্য, নদী এবং পরিবেশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান চলবে।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধেও নৌ পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানায় তারা। যে সব নৌ যান স্বাস্থবিধি অমান্য করছে তাদের শাস্তির আওতায় আনছে নৌ পুলিশ।
নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরিদা পারভীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, এ বছর রাঙ্গামাটি সদর, মাইন্দার মুখ, বালুখালী, বুড়িহাট, কাপ্তাই চেকপোস্ট ও মহালছড়ি চেকপোস্টে নৌ পুলিশের প্রয়োজনীয় সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১০৫৭৭ টন যার আর্থিক মূল্য ছিল সাড়ে ১৩ কোটি টাকা। ২০১৯-২০২০ বছরে ( মে পর্যন্ত) ১২৬৯৪ টন মাছ উৎপাদন হয় যা থেকে অর্জিত অর্থের পরিমাণ ১৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সে অনুপাতে ২০২০-২০২১ বছরের লক্ষমাত্রা ১৫২৩৪ টন, মূল্যমান ১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।