চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১৪ হাজার ৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২ হাজার ৮২৮ জনের শরীরে।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলার পর শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৩৯০ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৮১১ জনে। চব্বিশ ঘণ্টায় ৬৪৩ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৮০৪ জন।
দেশে পরীক্ষার বিবেচনায় কভিড-১৯ শনাক্তের হার ২০.০৭ শতাংশ; সুস্থতার হার ২১.০২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩৪ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে শুক্রবার দুপুরে এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, সবশেষ একদিনে মৃত্যুবরণ করাদের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ, সাতজন নারী। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ জন, সিলেট বিভাগের তিনজন, রাজশাহী বিভাগের দুজন, বরিশাল বিভাগের একজন এবং রংপুর বিভাগের একজন।
বয়স বিশ্লেষণে, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে আছেন তিনজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ৮১-৯০ বছরের মধ্যে আছেন একজন।
তাদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের; বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।
বুলেটিনে বলা হয়, চব্বিশ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৩৬৫ জনকে; ছাড় পেয়েছেন ১৭৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৬ হাজার ৯৪৬ জনকে।
এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ২৪৫ জনকে; ছাড় দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৪৯৫ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৭ হাজার ৩১৯ জন।