থুতু ব্যবহার করে বল যেমন শাইন করানো যায়, ঘাম দিয়ে তা হচ্ছে না। বলের একপাশ ঠিক মতো শাইন হচ্ছে না। আর তাই বল পিচ করে প্রত্যাশা মতো সুইংও করছে না।
কলম্বোতে ১২ দিনব্যাপী ক্যাম্পের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা কোচ মিকি আর্থারকে জানিয়েছিলেন লঙ্কান পেসাররা। তাই বল শাইনিংয়ে আইসিসির প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম শুরুতেই হোঁচট খেল বলা চলে।
মিকি আর্থার আইসিসি ক্রিকেট কমিটির একজন সদস্য। শ্রীলঙ্কার ১৩ জনের ক্যাম্পে পেসার রয়েছেন ৬ জন। ক্রিকইনফোকে মিকি আর্থার জানান, ‘নতুন নিয়ম নিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলাম। পেসাররা বলছে ঘাম ব্যবহার করলে বল বেশি ভিজে যাচ্ছে, এতে বল ভারী হয়ে খুব একটা সুইং করছে না। থুতু ব্যবহারে বল ভারী হতো না, তাই বেশি সুইং করত। কিন্তু এখন যেটা নিয়ম সেটাই তো করতে হবে।’
থুতু ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও বল শাইনিংয়ের জন্য ভিন্ন কিছু ব্যবহার করা হবে কি না সে ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি আইসিসি। গত বছর ক্রিকেট কমিটির সভায় বল বিকৃতির বিষয়ে আরও কঠোর হওয়ার আলোচনা করে এসেছেন আর্থাররা। এর মধ্যেই করোনার কারণে বল শাইনিংয়ের দীর্ঘদিনের রীতিটা যে বাদ দিতে হবে সেটা কি আর তারা জানতেন!
দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তানকে কোচিং করানো আর্থার জানান, তার শিষ্যদের অভিজ্ঞতা তিনি কমিটিতে শেয়ার করবেন। তখন নতুন কোনো সিদ্ধান্ত দ্রুত আসতেও পারে বলে আশাবাদী এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ।
বোলারদের সুবিধা দেওয়ার জন্য আইসিসি ভিন্ন কিছুর চিন্তা করছে বলে জানান আর্থার, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য বেশি জটিল না করে খেলাটাকে মাঠে ফেরানো। আমরা এখন একটা বস্তুকে বল শাইনিংয়ের জন্য অনুমতি দিলাম কিন্তু ১৮ মাস পর যখন করোনার ছাপ থাকবে না তখন আবার কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? তখন কি আবার ওটাকে নিষিদ্ধ করা যাবে?’
‘তাই আমরা ভিন্ন কিছু ভাবছি। ব্যাটসম্যানদের একপেশে সুবিধা যেন দেওয়া না হয় সেজন্য উইকেটে বেশি ঘাস রাখার কথা ভাবা হচ্ছে।’