দেশে একদিনে রেকর্ড ৪২ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭৪৩

দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ৪২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই সময়ে ১৩ হাজার ১৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে অতি ছোঁয়াচে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২ হাজার ৭৪৩ জনের শরীরে।

এর আগে চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ৪০ জন, ৩১ মে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলার পর রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৭৬৯ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৮৮৮ জনে। চব্বিশ ঘণ্টায় ৫৭৮ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৯০৩ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০.৮৮ শতাংশ; সুস্থতার হার ২১.১৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩০ শতাংশের কিছু বেশি।

দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে রবিবার দুপুরে এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করা ৪২ জনের ৩৫ জনই পুরুষ, সাতজন নারী। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ২৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের আটজন, সিলেট বিভাগের দুজন, রাজশাহী বিভাগের দুজন, ময়মনসিংহ বিভাগের একজন, খুলনা বিভাগের দুজন।

হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের, বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। তাদের বয়স ২১-৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে তিনজন এবং ৯১-১০০ বছরের মধ্যে একজন।

বুলেটিনে বলা হয়, চব্বিশ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৪৬৭ জনকে; ছাড় পেয়েছেন ২৩০ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৭ হাজার ৩৯৯ জন।

এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯৭৫ জনকে। ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭৬ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৫ হাজার ৬৯৬ জন।