করোনার কাছে হার মানলেন সিনিয়র সাংবাদিক মোনায়েম

  
করোনার সঙ্গে আট দিন লড়াই করে হার মানলেন কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মোনায়েম খাঁন। রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরপর মারা যান মোনায়েম। তিনি ডেইলি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত ছিলেন।  

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবদুল মোনায়েম খানের স্ত্রীর ভাই জয়নাল আবেদীন। 

তিনি বলেন, বেলা ২টার দিকে সাংবাদিক মোনায়েমের অবস্থা সংকটাপন্ন হলে তাকে চমেকের আইসিউতে নেয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরপরই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েনে।

এর আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মোনায়েম খানের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিলো। তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ওঠা--নামা করছিল।চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের করোনা ওয়ার্ডের রেড জোনে চিকিৎসাধীন থাকা আবদুল মোনায়েম খানের অবস্থার গুরতর অবনতি হয় রোববার ভোর থেকে। পরে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আজম নাসিরের সহায়তায় রোববার বেলা ২টার পর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। আইসিইউতে নেওয়ার পর পরই আবদুল মোনায়েম খান সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান।

সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মোনায়েম খান (৫৪) কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছরা কবরস্থান রোডের মরহুম কানুনগো বদিউল আলমের জ্যেষ্ঠ পুত্র। সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মোনায়েম খান মে থেকে জ্বরে ভুগছিলেন। ৩১ মে তার ও তার সন্তান, কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র মোহাইমেনের নমুনা পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়। তাদের করোনা ‘পজেটিভ’ রিপোর্ট আসে। 

১ জুন রাতে আবদুল মোনায়েম খানকে উখিয়ার সারি আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে গত ৩ জুন থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল।