ভার্চুয়াল আদালতে মামলার শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে গাইবান্ধার ১৭ আইনজীবী পেশাগত কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না জানিয়ে ওই জেলা আইনজীবী সমিতির নোটিসের কার্যকারিতা স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। বিষয়টি নজরে আনা হলে গতকাল রবিবার বিচারপতি জে বি এম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেয়। পাশাপাশি ভার্চুয়াল আদালতে ১৭ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে গাইবান্ধা জেলা আইনজীবী সমিতিকে। ফলে গাইবান্ধার ওই আইনজীবীরা আদালতে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন বলে সাংবাদিকদের জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারনির্ধারিত ছুটির মধ্যে আইনজীবী, সাক্ষী ও আসামিদের শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয় গত ১১ মে। এর আগে ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’-এর খসড়া অনুমোদন লাভের পর ৯ মে এ-সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। তবে ভার্চুয়াল আদালতে আপত্তি জানিয়ে ১৭ মে গাইবান্ধা জেলা আইনজীবী সমিতির এক জরুরি সভায় আপাতত ভার্চুয়াল আদালতের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন সমিতির নেতারা। তবে বেশ কয়েকজন আইনজীবী ভার্চুয়াল আদালতে মামলার শুনানিতে অংশ নেন। এরপর ২ জুন ১৭ আইনজীবী আইনি পেশা পরিচালনা করতে পারবেন না উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে নোটিস দেওয়া হয়।