ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকার রেললাইন নির্মাণসহ প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে বহুমুখী পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। এজন্য এবার বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৬ হাজার ৪১৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা। গেলবার বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৩৫৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। নতুন বাজেটে প্রায় ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ বেড়েছে। যদিও চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রেলওয়ের বরাদ্দ ছিল ১৩ হাজার ৮৮৪ কোটি ২৮ লাখ ১৩ হাজার টাকা।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট উপস্থাপন করে আরও বলেন, ‘২০১৬-২০৪৫ পর্যন্ত ৩০ বছর মেয়াদে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে রেলওয়ের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। রেলপথ সম্প্রসারণ, নতুন রেলপথ নির্মাণ, ২৫ কিলোমিটার পুরনো লাইন পুনর্নির্মাণ, ৩০টি রেলসেতু নির্মাণ, ১৪টি রেলসেতু পুনর্নির্মাণ, ১৩৬টি যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহ, ৬টি নতুন ট্রেন চালু করা (বেনাপোল এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস), চারটি বিদ্যমান ট্রেন সার্ভিস বর্ধিত করা (রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ও ঢালচর এক্সপ্রেস) সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী অর্থবছরে ৯০০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ ডাবল রেলট্র্যাক নির্মাণ, ১ হাজার ৫৮১ কিলোমিটার নতুন রেলট্র্যাক পুনর্বাসন, ৩১ লোকোমোটিভ সংগ্রহ, ১০০ যাত্রীবাহী কোচ পুনর্বাসন, ২২২টি স্টেশনের সিগন্যালিং ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করা হবে। এছাড়া কুমিল্লা-লাকসাম হয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডাবল ট্র্যাক দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণ করা হবে। ভাঙ্গা জংশন (ফরিদপুর) থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ, নাভারণ থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত এবং সাতক্ষীরা থেকে মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত ব্রডগেজ লাইন নির্মাণ এবং ঢাকা শহরের চারদিকে বৃত্তাকার রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’