যেকোনো পরীক্ষার আগে রিভিশন গুরুত্বপূর্ণ। রিভিশন দেওয়া হয় না বলে আমাদের স্মৃতি থেকে মুছে যায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তাই, প্রায় সময়ই দেখা যায় আমরা পড়া ভুলে যাওয়া অর্থাৎ মনে রাখতে না পারার মতো সমস্যার সম্মুখীন হই। রিভিশন দেওয়ার বেশ কিছু কৌশল জানালেন ফয়সাল ইসলাম
পড়ার সময় সঙ্গে রেখো রিভিশন শিট। পড়ার সময় আমরা এমন অনেক কিছু তথ্যই পড়ে যাই, যেগুলো তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিংবা যেসব তথ্য মনে রাখারও তেমন প্রয়োজন নেই। রিভিশন শিট তোমাকে সাহায্য করবে এই প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য আলাদা করতে। কিন্তু কীভাবে? পড়ার সময় যে তথ্যগুলো মনে রাখা জরুরি, পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং একই সঙ্গে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল সে তথ্যগুলোকেই আলাদা করে তুলে রেখো একটা রিভিশন শিটে, যাতে পরীক্ষার ঠিক আগ মুহূর্তে পুরো বই রিভিশন দেওয়ার দরকার না পড়ে। এক রিভিশন শিট দেখে ফেললেই পুরো টপিক আয়ত্তে চলে আসে। এতে রিভিশন দিতে প্রয়োজনীয় সময়ব্যয় অনেকটা কমবে। আর রিভিশনের গতিও বাড়বে। এতে পরীক্ষার আগ মুহূর্তে স্বল্প সময়ে প্রস্তুতি নেওয়াটা আরও সহজ ও তাড়াতাড়ি হয়ে যায়।
পরীক্ষাগুলোয় প্রায় সময়ই দেখা যায় বিগত বছরের প্রশ্নগুলো থেকে কিছু প্রশ্ন দিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া এমন কিছু বিশেষ টপিক থাকে যেগুলো থেকে কোনো না কোনো প্রশ্ন পরীক্ষায় চলেই আসে। বিশেষ কিছু গ্রাফ, চার্টের মতো বিষয়বস্তুও পরীক্ষার প্রশ্নে একেবারে নিয়ম করে দেওয়া হয়। এ ধরনের টপিকগুলো বেশ ভালো করে জানতে হবে। পরীক্ষার আগে রিভিশন দেওয়ার সময়ও এ টপিকগুলোকেই বেশি প্রাধান্য দাও। একটা কথা মনে রেখো, তোমার খাতাতে তুমি ঠিক যতটুকু জ্ঞানের প্রতিফলন ঘটাতে সমর্থ হবে, সেটার ওপর ভিত্তি করে হবে তোমার মেধার মূল্যায়ন।
নতুন নতুন শব্দার্থ মনে রাখার জন্য ব্যবহার করতে পারো ফ্ল্যাশ কার্ড। ছোট ছোট এই কার্ডে লিখে রাখো সূত্র আর শব্দার্থ; আর সব সময় কার্ডগুলো নিজের সঙ্গে রাখো, যাতে করে যখন-তখন রিভিশন দিতে পারো।
বই দাগিয়ে পড়ার সময় শুধু প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোই দাগ দিয়ে হাইলাইট করে রেখো। এতে রিভিশন দিতে সুবিধা হবে।
রিভিশন দেওয়ার সময় এমন প্রশ্নের উত্তরগুলো বারবার পড়ার চেষ্টা করো যে প্রশ্নগুলোর কোনোটা পরীক্ষায় চলে এলে তুমি লিখবেই।