পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি করা কয়েকটি মামলায় এ পর্যন্ত ২৬ চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরিবহনে চাঁদাবাজির ঘটনায় ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইসহ বিভিন্ন থানায় একডজন মামলা দায়ের করে পুলিশ। এ পর্যন্ত এসব মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
সর্বশেষ সাভারের আশুলিয়ায় বিভিন্ন পরিবহনে চাঁদাবাজিতে জড়িত জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় গ্রেপ্তার মিন্টুসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো দু'জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকা থেকে পরিবহনে চাঁদা আদায়ের সময় তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেপ্তার জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু (৩৫) আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মিন্টু ও সহযোগীরা মূলত আঞ্চলিক বাস ওয়েলকাম ও মৌমিতায় চাঁদাবাজি করে আসছিল।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, সম্প্রতি পরিবহনে চাঁদাবাজি নিয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে চাঁদাবাজি বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সোমবার ভোর রাতে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার রূপসা হোটেলের সামনে স্থানীয় পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের গোপন খবর পান তারা। পরে অভিযান চালিয়ে মৌমিতা ও ওয়েলকাম পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়কালে জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু নামে এক চিহ্নিত পরিবহন চাঁদাবাজকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় অজ্ঞাত আরো দুই চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলায়েত হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহনে সব প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। তাই পরিবহন চাঁদাবাজদের আটকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।