প্রাণঘাতী সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দুষছে ভারত-চীন

সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় চীন-ভারত একে অপরকে দোষারোপ করছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

লাদাখ সীমান্তে গত কয়েক দিন ধরে দুই দেশের ভেতর টান-টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর ভেতর সোমবার রাতের ঘটনায় নিজেদের এক কর্নেলসহ ২০ সেনা নিহতের কথা স্বীকার করে ভারত জানিয়েছে, চীনের সেনারাও হতাহত হয়েছে। কিন্তু চীন সেটি জানায়নি।

ভারতের দাবি, সেনারা নিয়ন্ত্রণ রেখায় দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় গুরুতর আহত হয়। ওদিকে চীনের দাবি, ভারত আগে তাদের সেনাদের আক্রমণ করেছে।

কী ঘটেছিল?

মঙ্গলবার ভারত প্রথমে কাশ্মীর অঞ্চলের লাদাখ সীমান্তে তিনজন সেনা মারা যাওয়ার খবর দেয়। পরে সেটি বাড়িয়ে আরও ১৭ জন করা হয়।

অবাক করার বিষয় হল সীমান্তে এদিন কোনো গোলাগুলি হয়নি বলে জানা গেছে। তাহলে ২০ জন কীভাবে মারা গেল?

কাশ্মীরের স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ফেরানোর জন্য সেনা এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছে ভারত-চীন।

বিবৃতিতে বলা হয়,  ‘দুদেশের মধ্যে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যে সমঝোতা হয়েছে তা যদি চীন মেনে চলত তা হলে সোমবার রাতে গালওয়ান উপত্যকায় যে রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটেছে তা এড়ানো সম্ভব হত। ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার মধ্যেই তাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রেখেছে। আশা করছি চীনও তাদের দিক থেকে এই নিয়ম মেনে চলবে।’