চলতি বছরের ভেতর নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের কয়েক শ মিলিয়ন ডোজ প্রস্তুত করতে চায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এমন আশার কথা শোনান।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন পর্যন্ত দশটি কোম্পানির ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল তদারকি করছে। কর্মকর্তাদের আশা সেপ্টেম্বরের ভেতর যেকোনো একটি কোম্পানি সফল হবে।
সৌম্য স্বামীনাথন জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া গেলে কাদের প্রথম দেয়া হবে সে বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
যে চিকিৎসকেরা করোনাযুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যারা বয়সের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ, যারা কেয়ারহোমে থাকেন-তাদের সবার আগে ভ্যাকসিনের জন্য বিবেচনা করা হবে।
‘আমি আশাবাদী। কিন্তু ভ্যাকসিন পাওয়া জটিল প্রক্রিয়া। এতে অনেক অনিশ্চয়তা থাকে,’ মন্তব্য করে সৌম্য বলেন, ‘ভালো ব্যাপার হল ভ্যাকসিন প্রস্তুত করার জন্য আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে। তাই প্রথমটা অথবা দ্বিতীয়টা ব্যর্থ হলেও আশা হারানোর কিছু নেই। আশা হারানো উচিত নয়।’
‘আমরা চলতি বছরে কয়েক শ মিলিয়ন ডোজ প্রস্তুতের ব্যাপারে আশাবাদী। পরের বছর আসবে ২ বিলিয়ন।’
কোনো প্রতিষেধক না থাকা নভেল করোনাভাইরাসের টিকা তৈরি করতে ব্রিটেন, আমেরিকা এবং চীনসহ কয়েকটি দেশ উঠেপড়ে লেগেছে। চীন জানিয়েছে তাদের করোনাভ্যাক ভ্যাকসিনটি এই বছরের শেষ নাগাদ আসতে পারে। দেশটিতে পাঁচটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না কোম্পানি বারবার বলছে, ট্রায়ালে তাদের ভ্যাকসিন কার্যকর দেখা যাচ্ছে। এই কোম্পানিটি সেপ্টেম্বরের ভেতরে ভ্যাকসিন আনতে চায়। একই আশা ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিরও।