‘সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে খানদের বাংলাদেশ-পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়া হোক’

ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য সালমান খানের পরিবারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন পরিচালক অভিনব সিনহা কাশ্যপ। এ ঘটনায় নাকি তাকে নির্মমভাবে বিদ্রূপ করা হচ্ছে। তার দাবি, “মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ-পাকিস্তানে থাকা সালমানের ট্রোল আর্মি নেমে পড়েছে এ কাজে।”

অভিনব ফেইসবুক পোস্টে বলেন, সত্যি কথা বলায় সালমানের হয়ে বিদ্রূপকারীরা নোংরা ভাষায় গালাগালি করছে তাকে। এতেই বোঝা যাচ্ছে, কী ধরনের লোকেরা খানদের পছন্দ করে। সরকারের উচিত, খানদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাদের পাকিস্তান-বাংলাদেশে চালান করে দেওয়া। তাদের পূর্বপুরুষদের বোধহয় দেশভাগের সময় পাকিস্তান যাওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা ছিল না।

তিনি হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন, বয়কট, সালমান খান, মিটু, তদন্ত ও আত্মসমীক্ষা।

আরেকটি পোস্টে ‘দাবাং’ পরিচালকের অভিযোগ, তার ই-মেইল আইডি হ্যাক করার চেষ্টা চলছে। তার প্রশ্ন, খানেরা এত ঘাবড়ে গিয়েছে কেন? কী লুকোচ্ছে ওরা? কেন এভাবে আমার মুখ বন্ধের চেষ্টা করছে?

সালমান কিছু না বললেও তার বাবা সেলিম খান জবাবে বলেছেন, “হ্যাঁ, আমরাই তো সব শেষ করে দিয়েছি। আগে অভিনবের সিনেমা দেখুন, তারপর কথা বলব। নিজের বিবৃতিতে ও আমার নাম করেছে, বোধহয় ও আমার বাবার নাম জানে না। তার নাম ছিল রশিদ খান। আমার পূর্বপুরুষের নামও ওর বলা উচিত। ওর যা ইচ্ছা বলুক, আমি তার পেছনে সময় নষ্ট করব না।”

অনুরাগ কাশ্যপের ভাইয়ের অভিযোগ, আরবাজ খানের জন্য ‘দাবাং টু’ ছবি থেকে সরে আসতে হয় তাকে। খান পরিবার চেষ্টা করছিল তার ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে। শ্রী অষ্টবিনায়ক ফিল্মস তাকে দিয়ে পরিচালনা করানোর জন্য একটি ছবি সই করায়। কিন্তু আরবাজ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান রাজ মেহতাকে ফোন করে হুমকি দেন, ছবিটি অভিনবকে দিলে ফল খুব খারাপ হবে। তাকে সুদ-সহ চুক্তির টাকা ফেরত দিতে হয়, তিনি যান ভায়াকম ফিল্মসে। সেখানেও ঘটে এক ঘটনা।

তার কথায়, “আমার শত্রুরা তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন, ধূর্ত। তারা সব সময় পেছন থেকে আক্রমণ করে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু ১০ বছর এভাবে কাটার পর আমি এখন বুঝতে পেরেছি, আমার শত্রু কারা। তারা হলো সেলিম খান, সালমান খান, আরবাজ খান ও সোহেল খান। আরও অনেক ছোটখাট লোক আছে কিন্তু সালমান খানের পরিবার হলো এই বিষাক্ত সরীসৃপের মাথা। তারা তাদের অন্যায়ভাবে রোজগার করা অর্থ, রাজনৈতিক যোগাযোগ আর আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ওঠাবসা কাজে লাগিয়ে  সবাইকে ভয় দেখায়।”