ঢাকার কেরানীগঞ্জে নমুনা পরীক্ষায় শনিবার ২০ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ আসার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে কেরানীগঞ্জে মোট কেভিড- ১৯ শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮০২ জন।
শনিবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর মোবারক হোসেন দিগন্ত।
মীর মোবারক হোসেন দিগন্ত জানান, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে জিনজিরা ইউনিয়নে ২৮ বছরের এক তরুণী, ৬৩ বছরের এক বৃদ্ধা, ৫ বছরের এক শিশু, ৩৮ বছরের এক পুরুষ, ১৭ বছরের এক তরুণ।
শাক্তা ইউনিয়নে ২২ বছরের এক তরুণী, ৫০ বছরের এক পুরুষ। রোহিতপুর ইউনিয়নের ২৩ ও ২০ বছরের দুই যুবক। কলাতিয়া ইউনিয়নে ৪৫ বছরের এক পুরুষ, ৩১ বছরের এক পুরুষ, ৫২ বছর বয়সী এক পুরুষ।
কোন্ডা ইউনিয়নে ৩০ বছর বয়সী এক নারী, ৫০ বছর বয়সী এক নারী। বাস্তা ইউনিয়নে ২১ বছর বয়সী এক তরুণ, শুভাঢ্যা ইউনিয়নে ৩৩ বছরের এক নারী, ৫৫ বছর বয়সী দুইজন পুরুষ, ৬০ বছর বয়সী এক পুরুষ। তেঘরিয়া ইউনিয়নে এক তরুণ রয়েছে।
মোট আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জন সুস্থ হয়েছে। এবং ১৯ জন মৃত্যুবরণ করেছে। অধিকাংশ রোগীই বাসায় থেকে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। তাদেরকে প্রতিদিন ফোনের মাধ্যমে মনিটরিং করছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, কেরানীগঞ্জের জনগনের মধ্যে করোনা সচেতনতা কম তাই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। । আমরা প্রতিদিন এখন গড়ে ৮০টা করে টেস্ট করছি, টেস্টের সংখ্যা আরো বাড়ালে কেরানীগঞ্জে আরো বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ বাইরে বের হবেন না। অন্তত আপনার পরিবারের কথা ভেবে সচেতন হন, নিজে ভালো থাকুন, অপরকে ভালো রাখুন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল কেরানীগঞ্জে প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তি শনাক্ত করা হয়। এরপর ১০০ অতিক্রম করে গত ২৮ এপ্রিল।
২ জুন সংখ্যাটা ৫০০ ছাড়ায় ১৫ দিনের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়ালো।