বিষাক্ত স্পিরিট পানে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হোমিও ওষুধ বিক্রেতা রিমান্ডে

দিনাজপুরের বিরামপুরে বিষাক্ত স্পিরিট পানে স্বামী-স্ত্রীসহ ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার হোমিও ওষুধ বিক্রেতা মো. রফিকুল ইসলামকে তিন রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।

শনিবার দিনাজপুর আমলী আদালতে রফিকুলকে হাজির করা হলে বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ আমিন তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুক্রবার রাত ১১ টায় নিজ বাড়ি থেকে বিরামপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রফিকুলকে গ্রেপ্তার করে। সে উপজেলার পূর্ব জগন্নাথপুর (বকুলতলা) মহল্লার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

বিরামপুরের হোমিওপ্যাথি দোকানের আড়ালে বিক্রয় করা বিষাক্ত স্পিরিট পানে গত ২৬ ও ২৭ মে পৌরসভার বিভিন্ন মহল্লার ১০ জন মারা যায়। এ ঘটনায় গত ২৭ মে বিরামপুর থানার এসআই নুরুল হক বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে রফিকুল ইসলাম পলাতক ছিলেন।

বিরামপুর সার্কেলের এএসপি মিথুন সরকার জানান, দেশে একমাত্র বৈধভাবে গাজীপুরে নির্দিষ্ট কারখানায় স্পিরিট উৎপাদন ও বিপণনের কথা। কিন্তু দেখা গেছে বিরামপুরে যে সব স্পিরিট জব্দ করা হয়েছে সেগুলো পাবনার সাথিয়ায় অবৈধভাবে তৈরী। এসব স্পিরিটে ৮০ ভাগ অ্যালকোহল থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ১০০ ভাগ।

ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, রফিকুল দীর্ঘ দিন থেকে হোমিও ওষুধ বিক্রির আড়ালে অবৈধভাবে রেক্টিফাইড স্পিরিট বিক্রি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিরামপুর এবং ফুলবাড়ী থানায় দুটি মাদকের মামলাসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে।