পরপর ফ্লপ দিয়ে গেলেও বড় ব্যানারের সিনেমার অভাব হয়নি রণবীর কাপুরের। এমনকি তাকে ইন্ডাস্ট্রিতে আনার জন্য মুখিয়ে ছিলেন নির্মাতারা। কারণ তিনি বলিউডের বিখ্যাত ‘কাপুর খানদানের’ চতুর্থ প্রজন্মের প্রতিনিধি।
পরিবার সূত্রে অভিনয়ে আসার কথা নিজেও স্বীকার করে নিয়েছিলেন রণবীর।
এ নায়কের প্রযোজিত ‘জগ্গা জাসুস’-এর প্রচারের সময় উঠে আসে স্বজনপোষণের প্রসঙ্গ। উত্তরে রণবীর স্বজনপোষণ বা বংশানুক্রমে অভিনয়ে আসার কথা স্বীকারও করে নেন।
তিনি বলেন, “স্বজনপোষণ সর্বত্র রয়েছে, হয়ত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আরও বেশি করে রয়েছে। আমি নিজেই এর সৃষ্টি। এক্ষেত্রে আমার দাদা (রাজ কাপুর) কঠোর পরিশ্রম করেছে। আর তার জন্যই আমার বাবা সহজেই সুযোগ পেয়েছে। আমার সন্তানরাও যাতে সুযোগ পায়, তার জন্য আমিও পরিশ্রম করব। আমি চাইব, আমার সন্তানরা সুযোগ পাক। আর স্বজনপোষণ, বংশানুক্রমে পেশায় আসা, সেটা অবশ্যই রয়েছে, আর অস্বীকার করার জায়গা নেই। তার উদাহরণ আমি নিজেই।”
সঙ্গে সমস্যার কথাও যোগ করেন, “স্বজনপোষণ, বংশানুক্রমে পেশায় আসার একটা অসুবিধাও রয়েছে। আমি যেমন আমার পরিবারের জন্য সুযোগ পেয়েছি। তবে এ জন্য আপনি যদি সফলও হন সেই কৃতিত্ব পাবেন না। কারণ সবাই সেই সাফল্যের দিকেই তাকিয়ে থাকবে। বলবে পরিবারের সূত্রে পেয়েছি।”
রণবীর আরও বলেন, “আমি আমার পরিবারের সূত্রে বহিরাগতের থেকে বেশি সুযোগ পেয়েছি, এটা সত্যি। সুযোগ পেয়েছি এর জন্য কৃতজ্ঞ, তবে এর সুযোগ আমি নিতে চাই না। নিজেকে আমি আরও বেশি করে প্রমাণ করতে চাই, সেরাটা উজাড় করে দিতে চাই।”
সর্বশেষ কয়েক বছরে রণবীরের সফল ছবি বলতে রাজকুমার হিরানি পরিচালিত সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক ‘সাঞ্জু’। আর দুই বছর ধরে তাকে নিয়ে আলোচনার একমাত্র কেন্দ্র আলিয়া ভাটের সঙ্গে প্রেম। বর্তমানে তার হাতে আছে আদিত্য চোপড়ার ইয়াশরাজ ফিল্মস ও করণ জোহরের ধর্মা প্রডাকশনের বড় বাজেটের দুই সিনেমা শমসেরা ও ব্রহ্মাস্ত্র।