প্রথম ‘টোয়ালাইট’ সিনেমা মুক্তির এক যুগ পূর্ণ হতে যাচ্ছে সামনের নভেম্বরে। স্টেফানি মেয়ারের ফ্যান্টাসি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত পাঁচ সিনেমার এই সিরিজ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়। এর মধ্যে এমন মজার মজার তথ্য আছে যা হয়তো অনেকেরই অজানা। সেখান থেকে পাঁচটি জেনে নিন।
মূল দুই চরিত্র এডওয়ার্ড কুলেন ও বেলা সোয়ান শুয়ে আছে সবুজ তৃণভূমির মাঝে। এ দৃশ্য দর্শকদের খুবই পরিচিত। মজার বিষয় হলো দৃশ্যটি স্বপ্নের মাঝে পান লেখিকা স্টেফানি। এর পর তার জানার ইচ্ছা জাগে, এই তরুণ-তরুণীর পরের গল্প কী! সেখান থেকে পুরো ‘টোয়ালাইট’ লেখেন তিনি।
রবার্ট প্যাটিনসন ছাড়া আর কাউকে কি এডওয়ার্ড চরিত্রে ভাবা যায়! লেখিকার কিন্ত ভাবনা ছিল অন্য। যখন সিনেমায় রূপান্তরের কথা শোনেন, তিনি এ চরিত্রে হেনরি কাভিলের কথাই জানান! কিন্তু চরিত্রের তুলনায় বয়স বেশি হওয়ার কারণে ‘ম্যান অব স্টিল’ বাদ পড়েন।
এ সিরিজে অভিনয় করে টেইলর লটন কত তরুণীর মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন হিসাব করাই যাবে না। অথচ শরীরিভাবে আকর্ষণীয় নন এমন অজুহাত ‘নিউ মুন’ থেকে তাকে প্রায় বাদই দেওয়া হচ্ছিল। এরপর জিমে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে গড়ে তোলেন।
‘টোয়ালাইট’ নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। কিন্তু কতটা সফল সিরিজ এটি— এ নিয়ে বোদ্ধাদের সন্দেহ রয়েছে। এই অস্বস্তি ভক্তদের মাঝেও আছে। সম্প্রতি খোদ রবার্ট প্যাটিনসনের মন্তব্য সবাইকে চমকে দিয়েছে। এ ছবি নিয়ে ভালো কোনো অভিজ্ঞতা তার নেই। মানসিকভাবে তার বৃদ্ধি নাকি থেমে গিয়েছিল ওই সময়।
এক সাক্ষাৎকারে জেনিফার লরেন্স জানান, ‘টোয়ালাইট’-এর বেলা চরিত্রের জন্য অডিশন দিয়েছিলেন। কিন্তু চরিত্রটি যায় ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের কাছে। এ নিয়ে ভীষণ হতাশ ছিলেন জেনিফার। যাই হোক, ভালোই হয়েছিল। নইলে ইতিহাস সৃষ্টিকারী ‘দ্য হ্যাঙ্গার গেমস’ সিরিজে তাকে পাওয়া যেত না! হয়তো মিলতো না ‘এক্স-মেন’ সিরিজেও।
‘টোয়ালাইট’ সিরিজের প্রথম তিন কিস্তি পরিচালনা করেন যথাক্রমে ক্যাথেরিন হার্ডউইক, ক্রিস ওয়াইচ ও ডেভিড স্লাড। একই উপন্যাস ভেঙে নির্মিত শেষ দুই পর্ব পরিচালনা করেন বিল কনডন। পাঁচটি পর্ব সব মিলিয়ে সিনেমা হল থেকে তুলে নেয় ৩৩০ কোটি ডলারের বেশি।
এ দিকে শোনা যাচ্ছে, স্টেফানি মেয়ারের ‘মিড নাইট সান’ উপন্যাস অবলম্বনে সিরিজের একটি স্পিনঅফ তৈরি হতে যাচ্ছে।