রাজধানীতে বেকার হয়ে যাওয়া তরুণীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

রাজধানীর তেজগাঁও তেজকুনিপারায় সোমবার সন্ধ্যায় গলায় ফাঁস দিয়ে মুন্নি আক্তার (২০) নামে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে। তবে তার গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণ জানা না গেলেও স্বজনরা বলেন, সম্প্রতি বেকার হয়ে যাওয়ায় ওই তরুণী বাসাতেই অবস্থান করছিলেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুল খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাত ৮টার দিকে স্বজনরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়। স্বজনরা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিয়ে যেতে চাইলে তাদেরকে তেজগাঁও থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

মৃত মুন্নির বাবা চাঁদপুর কচুয়ার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান মিজান জানান, তিনি ৩ সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তেজকুনিপারায় একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। মুন্নি একটি কোম্পানিতে চাকরি করলেও বর্তমানে বেকার হয়ে যাওয়ায় বাসাতেই অবস্থান করছিল। বিকেলে সে ঘুমাচ্ছিল। ঘুম থেকে উঠে সন্ধ্যার কিছু আগে সবাইকে চা বানিয়ে দেয়। এরপর নিজের রুম গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় সে।

কিছুক্ষণ পর তাকে ডাকাডাকি করলে সে না ওঠায় সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। এরপর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় মুন্নিকে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।