কৃষিপণ্যের মূল্য কৃষককে নির্ধারণ করতে দিতে হবে: ড. এম এম আকাশ

উৎপাদক পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করলেও কৃষিপণ্যের মূল্য কৃষক নির্ধারণ করে না উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অর্থনীতিবিদ ড. এম এম আকাশ বলেছেন, ফলে কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্যের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনাকালে দেশকে বাঁচাতে কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে হবে। তাদের বাঁচাতে চাইলে কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণ তাদেরকেই করতে দিতে হবে।

রবিবার দুপুরে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা বারসিক ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) যৌথ উদ্যোগে করোনাকালীন কৃষি বাজেট নিয়ে এক আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

আলোচনার শুরুতেই সূচনা বক্তব্য দেন বারসিকের পরিচালক ও গবেষক পাভেল পার্থ। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হন কৃষি পদক বিজয়ী কয়েকজন কৃষক। আলোচনায় অংশ নেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের আবু নাসের খান, সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তুষারসহ আরও অনেকে।

ড. এম এম আকাশ বলেন, ধান কেনার ক্ষেত্রে সরকার যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কম হলেও ভালো। কিন্তু সরকার ধান খুব কম কিনছে। চাল কিনছে রাইস মিল থেকে। এতে কৃষককে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে রাইস মিলে। ফলে তারা দাম পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ধান উৎপাদকরাই হবে চাল কলের মালিক। সমবায় সমিতির মধ্য দিয়ে চাল কল স্থাপন করতে হবে। এতে করে চাল কলেই তারা ধান দিতে পারবে। চালের দামও তারা পাবে। তিনি বর্গা চাষিদের ব্যাংক লোন দেয়ারও দাবি জানান।

আবু নাসের খান বলেন, কৃষক যাতে বাজারে সুবিধা পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অর্গানিক এগ্রিকালচারের দিকে তাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে হবে। অর্গানিক কৃষি হলে মানুষ পুষ্টি পাবে পরিপূর্ণভাবে।

ইনটেনসিভ কালটিভশেনে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ই-মার্কেটিং, সমবায় সমিতি প্রভৃতি এগিয়ে নিতে হবে। সবচেয়ে জরুরি সংরক্ষণাগার। এটা সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এটা খুবই জরুরি।