‘ছাত্রের কক্ষে শিক্ষকের তালা’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

দেশ রূপান্তর পত্রিকায় ‘মেসভাড়ার জন্য ছাত্রের কক্ষে শিক্ষকের তালা’ শীর্ষক সংবাদে প্রকাশিত তথ্য পুরোটাই মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক ড. মো. সাইফুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, এই সংবাদের শিরোনাম থেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত মনগড়া কথায় সজ্জিত। যিনি এই সংবাদ পরিবেশন করেছেন, তিনি প্রকৃত ঘটনা না জেনে, না বুঝে, মেস মালিকের সঙ্গে কথা না বলে, কোনো তথ্য যাচাই না করে সংবাদ পরিবেশন করেছেন। 

ড. মো. সাইফুল ইসলাম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপাক। তার মালিকানাধীন মেসে এক ছাত্র ভাড়া দিতে না পারায় তার কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 

এ বিষয়ে প্রতিকেদকের বক্তব্য হলো, ২৭ জুন দৈনিক দেশ রূপান্তর এর অনলাইন ও ২৮ জুন প্রিন্ট ভার্সনের তৃতীয় পৃষ্ঠায় আমার পাঠানো প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় যা সম্পূর্ণ সত্য, যার তথ্য-প্রমাণ রক্ষিত রয়েছে। ড. মো. সাইফুল ইসলাম তার প্রতিবাদে নিজেকে মেস মালিক হিসেবে পরিচয় দেননি দিয়েছেন ফোকলোর বিভাগের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে। তার বিভাগের শিক্ষার্থী মজনু মিয়া অভিযোগটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. সাইফুল ইসলামের ভাড়া সম্পর্কিত কথোপকথনের প্রমাণ এবং বক্তব্য সংরক্ষিত রয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আছে, মালিকের নির্দেশে তালা লাগানো হয় যা মেসের কেয়ারটেকার এবং অভিযোগকারী শিক্ষার্থী স্বীকার করেছে যার তথ্য-প্রমাণ রক্ষিত আছে। এ ছাড়া প্রতিবেদনে তার মন্তব্যও প্রকাশিত হয়েছে।

পুরো মেস ভাড়া না দেয়ায় শিক্ষার্থীর রুমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের তালা!