চট্টগ্রামের পটিয়ায় নিজ ঘরে দুই কিশোরী মেয়ের লাশের পাশে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার মুকুন্দ বড়ুয়াও মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানান জানান, উদ্ধারের পর থেকে আর মুকুন্দর চেতনা ফেরেনি।
পুলিশের ধারণা, হতাশা থেকে দুই মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুকুন্দও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
স্থানীয়রা জানায়, কাশিয়াইশ ইউনিয়নের ভান্ডারগাঁও বড়ুয়া পাড়ার মামার বাড়ি থেকে বুধবার সকালে টুকু বড়ুয়া (১৪) ও নিশু বড়ুয়ার (১০) লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের বাবা মুকুন্দ বড়ুয়াকে্ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
মুকুন্দ কক্সবাজারের চকরিয়ার বাসিন্দা। তিনি জাহাজে চাকরি করতেন। চার বছর আগে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তার দুই মেয়ে পটিয়ায় মামার বাড়িতে থাকতেন।
লকডাউনের পর চাকরি থেকে এসে মুকুন্দও শ্বশুর বাড়িতে উঠেন।