রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় গলায় ফাঁস দিয়ে দুজন আত্মহত্যা করেছেন। এরা হলেন- বাড্ডার জহিরুল ইসলাম (২৭) ও ডেমরায় জায়িম সুলতানা (২০)।
বৃহস্পতিবার সকালে এই পৃথক ঘটনা ঘটে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মৃত জহিরুল ইসলামের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, জহিরুল একটি কোম্পানিতে সিনিয়র মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকরি করতেন।
জহিরুলের বাবার নাম আলতাফ হোসেন। বাড়ি বরিশাল কোতোয়ালী উপজেলায়। পরিবার নিয়ে বাড্ডা সাতারকুল রোডের একটি বাড়ির ৫ম তলায় ভাড়া থাকতেন।
সাইফুল জানান, সকালে বাথরুমে জহিরুলের প্যান্ট পড়ে থাকতে দেখেন আর পাশে ঘুমের ট্যাবলেটের খালি খোসা দেখতে পান।
পরে তার সন্দেহ হলে জহিরুলের রুমে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।
বিভিন্ন কারণে মানসিক দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। হয়তো এই কারণেই আত্মহত্যা করতে পারে বলে স্বজনদের ধারণা।
বাড্ডা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আঃ রহমান জানান, আমরা ১১টার দিকে ওই বাসা থেকে শায়িত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই জানা যাচ্ছে। ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
এদিকে জায়িম সুলতানার খালা রোকেয়া সুলতানা জানান, তাদের বাড়ি পিরোজপুর ভান্ডারিয়া উপজেলায়। জায়িমের বাবার নাম আবদুল ওহাব।
তিনি পরিবার নিয়ে ডেমরা মুসলিমনগরে থাকতেন। দুই ভাইবোনের মধ্যে বড় জায়িম রাজধানীর মহানগর কলেজে মনোবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী।
রোকেয়া জানান, সকাল ১১টার দিকে ৭তলা বাসায় সবার অগোচরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় জায়িম। পরে দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক বেলা ১টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া তার মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করেছেন।