রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের শ্রমিকরা নূন্যতম ১৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫৪ লাখ টাকা করে পাবেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার দেশের ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ ঘোষণা করে সুরকার।
বৃহস্পতিবার পাট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ইমরান আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিরাজমান পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানসহ প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন পাটকল ১ জুলাই থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার আওতায় ২৪ হাজার ৮৮৬ পাটকল শ্রমিকের পাওনা এককালীন পরিশোধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পাটকল শ্রমিকরা যে সব উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাবেন সেগুলো হলো, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (৩) অনুযায়ী নোটিশ মেয়াদের অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে মজুরী। চাকরীবিধি অনুযায়ী প্রাপ্য গ্রাচুইটি। পিএফ তহবিলে জমাকৃত সমুদয় অর্থ। নির্ধারিত হারে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধা।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী প্রতিজন শ্রমিক গড়ে ১৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫৪ লাখ টাকা করে পাবেন। এছাড়া শ্রমিকদের পাওনার অর্ধেক নগদে এবং বাকি অর্ধেক তিমাস অন্তর মুনাফাভিত্তি সঞ্চয়পত্রে মাধ্যমে প্রদান করা হবে। ফলে শ্রমিকগন একপ্রকার বাধ্যতামূলক সঞ্চয়ের সুযোগ পাবেন।
গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার আওতায় রাষ্ট্রয়ত্ত পাটকলগুলো হলো, রূপগঞ্জের জুটো ফাইবার গ্লাস ইন্ডাসট্রিজ লিমিটেড, বাংলাদেশ জুট মিলস লিমিটেড, জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড, করিম জুট মিলস লিমিটেড, লতিফ বাওয়ানী জুট মিলস লিমিটেড, রাজশাহী জুট মিলস লিমিটেড, ইউএমপি জুট মিলস লিমিটেড, আমিন জুট মিলস লিমিটেড, বাগদাদ ঢাকা কার্পেট ফ্যাক্টরী, গালফ্রা হাবিব লিমিটেড, গুল আহমদ জুট মিলস লিমিটেড, হাফিজ জুট মিলস লিমিটেড, কেএফডি লিমিটেড, এমএম জুট মিলস, আর আর জুট মিলস লিমিটেড, মিলস ফিনিশিং লিমিটেড, আলিম জুট মিলস লিমিটেড, কার্পেটিং জুট মিলস, ক্রিসেন্ট জুট মিলস লিমিটেড, দৌলতপুর জুট মিলস লিমিটেড, ইস্টার্ন জুট মিলস লিমিটেড, যশোর জুট মিলস লিমিটেড, খালিশপুর জুট মিলস লিমিটেড, প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড, ষ্টার জুট মিলস লিমিটেড।