কলাবাগানে শিক্ষার্থীদের সনদ ডাস্টবিনে

ছাত্রলীগের নিন্দা, জড়িতদের বিচার দাবি ছাত্রদলের

রাজধানীর কলাবাগানে মেসভাড়া দিতে দেরি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সনদসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ছাত্রলীগ।  গতকাল শুক্রবার ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাড়িভাড়া দিতে বিলম্ব হওয়ায় বিনা নোটিসে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে, যা কখনই কাম্য নয়। ওই ঘটনায় ছাত্রলীগ পরিবার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনে করে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ তাদের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ কারণে বাড়িওয়ালা ও মেসমালিকদের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারছেন না।

এদিকে একই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জড়িতদের বিচার দাবি করেছে ছাত্রদল। গতকাল শুক্রবার রাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল এ দাবি জানান। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা ওই ঘটনাকে চরম অমানবিক উল্লেখ করে এর সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মার্চ মাসে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে লকডাউন থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের বাসার কক্ষগুলো তালা মেরে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। এ কারণে তারা ভাড়া দিয়ে যেতে পারেননি। এ সুযোগে বাড়ির মালিক তাদের কক্ষ ভেঙে শিক্ষা সনদসহ সব মালামাল ফেলে দেন। সামান্য ভাড়ার জন্য বাড়ির মালিকের এই কাজ কোনোভাবেই মানবিকতার মধ্যে পড়ে না। শুধু বাসাভাড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের মালপত্র, শিক্ষাজীবনের সনদ ডাস্টবিনে ফেলে অথবা সিটি করপোরেশনে জমা দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।