রাজধানীতে চাকরি হারিয়ে গার্মেন্টস কর্মীসহ ২ জনের আত্মহত্যা

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ২ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন চকবাজারে আসিয়া আক্তার শান্তা (২১) ও পল্লবীতে আনোয়ার হোসেন মান্নান (৪৫) নামে এক গার্মেন্টস কর্মী।

মরদহে দুটি পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শনিবার দুপুরে মর্গে পাঠিয়েছে।

চকবাজার থানার উপ পরিদশর্ক (এসআই) মাসুদুর রহমান জানান, খাজে দেওয়ান প্রথম লেনের ২৮ নম্বর বাসার ২য় তলায় স্বামী আরিফুল হককে নিয়ে ভাড়া থাকত শান্তা। বরিশাল উজিরপুর উপজেলার আবুল কাশেম সরদারের মেয়ে সে।

শুক্রবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পরে তারা। ভোর রাতে স্বামী আরিফুল উঠে তাকে রুমের ভিতর ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নিচে নামান। খবর পেয়ে সকাল ৯ টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

এসআই মাসুদুর রহমান জানান, প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছি সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার রাগ অভিমান বেশি ছিল। তবুও আমরা বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছি। আর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে মিরপুরের চাকরি চলে যাওয়ায় অভাব ও মানসিক চাপে আনোয়ার হোসেন মান্নান (৪৫) কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছে বলে জানায় পুলিশ।

পল্লবী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. নুরে আলম জানান, পরিবার নিয়ে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ব্লক এ, রোড ৫ এর ৫ নম্বর বাসায় ভাড়া থাকত সে। এক ছেলে এক মেয়ের জনক মান্নান মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের একটি গার্মেন্টসে চাকরী করত। করোনার কারণে গত ১০/১৫ দিন আগে তার চাকরী চলে যায়। এ কারণে তার পরিবারের কিছুটা অভাব দেখা দেয়। মানসিক চাপে সে গত বুধবার বাসায়তেই কীটনাশক পান করে। পরে স্বজনরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন শুক্রবার দিনগত রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ইটাবো বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম উকিল উদ্দিন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।