সাভারে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার

সাভারে এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া বাসায় রেখে গত পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. সাজ্জাদ হোসেন সজলের (২১) নামের এক মুদি দোকানির বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে শনিবার সকালে ধর্ষক সজলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

গ্রেপ্তার সাজ্জাদ হোসেন সজল সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনী মহল্লার বাদশা মিয়ার ছেলে। সে এলাকায় মুদি দোকান করে মেয়েদের সাথে প্রেম করে এবং পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরকে ধর্ষণ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

থানা পুলিশ জানায়, গত পাঁচ মাস ধরে ব্যাংক কলোনী এলাকায় এক নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি বাসায় স্ত্রী পরিচয়ে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিল এলাকার মুদি দোকানদার সাজ্জাদ হোসেন সজল। একপর্যায়ে গত দুই মাস আগে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সজলকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সজল ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারীকে বেধরক মারধর করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করারও হুমকি দেয়। একইসাথে ওই নারীর মাথার চুল কেটে দিয়ে দিয়ে তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেয়।

পরে ওই নারী শুক্রবার রাতে বিষয়টি জানিয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ অভিযোগটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করে এবং শনিবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক সজলকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। 

সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অপূর্ব দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার সজলকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।