চিত্রনায়ক ও শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৭টি সংগঠন। ১৫ জুলাই এমন ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে প্রযোজক সমিতি সূত্রে।
প্রযোজক সমিতির সহকারী সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘বেশ কিছু কারণে আমরা জায়েদ খানকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। বুধবার দুপুর ১টায় ১৭ সংগঠন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।’
জানা যায়, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিকে বাদ রেখেই সম্প্রতি জায়েদ খানের বিষয়টি নিয়ে সভা করেছে চলচ্চিত্রের ওই ১৭ সংগঠন। তাদের অভিযোগ, চলচ্চিত্রের ‘স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ সঙ্গে জায়েদ খানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ কারণেই জায়েদ খানকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অন্য সংগঠনগুলো। স্থগিত বা বাতিল হতে পারে জায়েদ খানের প্রযোজক সমিতির সদস্যপদও।
এদিকে একই অভিযোগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও অভিনেতা মিশা সওদাগরকেও সতর্ক করে চিঠি দেয়া হবে। আগামীকাল বুধবার মিশার কাছে পৌঁছানো হবে বলে জানান ইকবাল।
১৪ জুলাই জায়েদ খানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে প্রযোজক সমিতির নেতৃত্বে ১৭ সংগঠনের জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে শিল্পী সমিতি ছাড়া বাকি সংগঠনগুলোর নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, মহাসচিব বদিউল আলম খোকনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ১৩ জুলাই জায়েদ খানকে চলচ্চিত্রের স্বার্থবিরোধী কাজে জড়িত থাকার জন্য এর কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি।
এদিকে চলচ্চিত্রের ‘স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ সঙ্গে জায়েদ খানের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে গোপনসূত্রে জানা যায়, প্রযোজক-পরিচালকরা সম্প্রতি সিনেমার খরচ কমানোর জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে। জায়েদ খান সেই নীতিমালার বিরুদ্ধে শিল্পীদের উসকে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।