করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১২ হাজার ৮৮৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে আরও ২ হাজার ৭৩৩ জনের শরীরে।
দেশে গত মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৪৯৬ জনে।
আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৪০ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯৬৩ জন।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.২০ শতাংশ; মৃত্যুর হার ১.২৭ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৪.৪৮ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
সবশেষ একদিনে মৃতদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ, আটজন নারী। তাদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের; বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে চারজনের।
এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের রয়েছেন ১৮ জন, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের ছয়জন করে, তিনজন করে রংপুর ও সিলেট বিভাগে, বরিশাল বিভাগে দুজন এবং রাজশাহী বিভাগে একজন।
বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ৬১-৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে, ১২ জনের বয়স ৫১-৬০ এর মধ্যে, চারজনের বয়স ৭১-৮০ বছরের মধ্যে, দুজনের বয়স ৩১-৪০ এর মধ্যে এবং একজন করে মৃত্যু হয়েছে ০-১০, ১১-২০ ও ৮১-৯০ বছরের মধ্যে।
চব্বিশ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৮৬৭ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ৭০০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৩১ জন।
এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৪৩৯ জনকে, ছাড় পেয়েছে ২ হাজার ৮৬৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৬০ হাজার ৮১২ জন।