করোনাভাইরাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আরও একটি লাখের কোটা পার করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় সাতাশশোর বেশি মানুষের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে কভিড-১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১২ হাজার ৮৮৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে আরও ২ হাজার ৭৩৩ জনের শরীরে।
তাতে সরকারি হিসেবে দেশে মোট করোনা রোগী দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জনে। দুই লাখের কোটা পার হতে সময় লাগতে পারে এক বা দুই দিন।
গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান বাংলাদেশে প্রথম মেলে গত ৮ মার্চ।
প্রথম শনাক্তের পর দেশে করোনারোগী সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়ায় ২ জুন। এরপর করোনার সংক্রমণ বেশি দ্রুততর হয়েছে।
লাখে পৌঁছানোর মাত্র ১৬ দিনে গত ১৮ জুন দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। সেখান থেকে তা দেড় লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ১৪ দিন; ২ জুলাই দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন।
বাকি সাত দিনে শনাক্তের সংখ্যা ছাড়ায় পৌনে দুই লাখ। ৯ জুলাই দেশে কেরোনা রোগী ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জন। সেখান থেকে এক সপ্তাহে পৌঁছাল ১ লাখ ৯৬ হাজারে।
মৃত্যুর সংখ্যাও সময়ের সঙ্গে বাড়ছে দেশে। চব্বিশ ঘণ্টায় ৩৯ জনসহ মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯৬ জনে।
তবে আশা জাগানিয়া ব্যাপার হলো সুস্থতার হার প্রতিদিনই বাড়ছে। চব্বিশ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৪০ জনসহ দেশে মোট করোনাজয়ী দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৬৩ জনে।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.২০ শতাংশ; মৃত্যুর হার ১.২৭ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৪.৪৮ শতাংশ।
সুস্থ ও মৃতদের সংখ্যা বাদ দিলে দেশে বর্তমানে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে ৮৬ হাজার ৮৬৪ জন।