দ্বিধা ও সিদ্ধান্তহীনতা দোষের নয়। সব মানুষই কমবেশি সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। তবে কিছু কাজে সিদ্ধান্তহীনতা বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই সিদ্ধান্তহীনতা থেকে মুক্তির উপায়গুলো আগে থেকেই জেনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। লিখেছেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাইমা রহমান
কাজ করার আগেই ভাবতে হবে সমস্যার সমাধান। সমাধান করার মুহূর্তে যেন তা নিয়ে আর দ্বিধা ও সংশয় কাজ না করে। আর দ্বিধায় পড়ে গেলে তা এড়িয়ে পরের ধাপে চলে যাও। যেমন ধরো, পরীক্ষার হলে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে তুমি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছ। তখন সেই প্রশ্নে সময় ব্যয় না করে পরের প্রশ্নে চলে যাও।
সিদ্ধান্তহীনতার মূল কারণ বিষন্নতা। বিষন্নতা দূর করতে প্রত্যেকটি বিষয়কে পজিটিভলি নিতে হবে। চিন্তার বাড়াবাড়ি ও হা-হুতাশ কাম্য নয়। ভবিষ্যৎ আমাদের হাতে নেই। আমরা কেবল চেষ্টা করে সৎভাবে এগিয়ে যেতে পারি।
আবেগ সংবরণ করো। পজিটিভ ফলাফল চাইলে আরামের চিন্তা করা যাবে না। বরং ভাবতে হবে কোনটা লাভজনক। আবেগতাড়িত না হয়ে নিজেকে প্রশ্ন করো, কোনটা তুমি চাও আরামদায়ক পথ, নাকি লাভজনক পথ?
মানুষের স্বভাব ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির। কেউ রিস্ক নিতে চায়, কেউ চায় না। কেউ আবার মাঝামাঝি পর্যায়ের। তবে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসব প্রকৃতির দিকে খেয়াল না করে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই নিরাপদ।
নিজের প্রতি আস্থা রাখো। ঠুনকো ব্যাপারে নিজের প্রতি আস্থা হারালে কি সাফল্য ধরা দেবে? অন্যের কথায় কান দিয়ে পায়ের নিচ থেকে আস্থার মাটি সরাবে না। নিজের স্বকীয়তা বজায় রাখতে শেখো। দেখবে, সিদ্ধান্তহীনতা থেকে তুমি মুক্তি পাচ্ছ।
নিজেকে দ্বিধা থেকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলো। ঝটপট সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলো। শুরু করে দাও কাক্সিক্ষত লক্ষ্যের পথে যাত্রা। মনে রাখবে, কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ও তাড়া থাকলেই তুমি যথাসময়ে পৌঁছতে পারবে তোমার গন্তব্যে।