যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের এক বন্দিশিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বাংলাদেশসহ আটটি দেশের মানুষেরা। ট্রাম্প প্রশাসনের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তাদের আটক করেছে।
সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অনলাইন নিউজ পোর্টাল লেফট ভয়েসের একজন অতিথি লেখক ওই বন্দিদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছেন। লেখকের সঙ্গে বাংলাদেশের আসিফ কাজী নামের এক ব্যক্তি কথা বলেন।
বন্দিরা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক জীবনযাপনের নূন্যতম সুযোগ-সুবিধা না থাকায় তারা ইতিমধ্যে অনশন শুরু করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্দিরা মূলত ফ্রেশ খাবার, ভালো বাথরুম এবং রুমের দাবিতে অনশনে গেছেন।
অনশনকারীদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক ছাড়াও ক্যামেরুন, মেক্সিকো, ঘানা, হাইতি, জ্যামাইকা, ইথিওপিয়া এবং ব্রাজিলের অভিবাসীরা আছেন।
শিবিরটিতে কোন দেশের কত জন মানুষ আছেন, সেটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
আরও পড়ুন: ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের!
করোনাকালের এই মহামারীর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বন্দি শিবিরে ৩০টির বেশি অনশন আন্দোলন হয়েছে। গত কয়েক মাসে ২ হাজার ৪০০ জনের মতো অভিবাসী এই আন্দোলনে সামিল হন। করোনার সময়ে বন্দি শিরিগুলো রীতিমতো বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জুনের শুরুতে বলা হয়, ‘বন্দিরা একই খাবার না খাওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন। পাশাপাশি আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মীদের মতো বাইরের লোকের কথায়ও তারা আন্দোলন করেন।’
কিন্তু বাংলাদেশের আসিফ এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘নিজেদের সংগঠনকে সমর্থন করতে আইসিই সব সময় মনমতো কথা বলে। এসব বলা হয় আমাদের মুক্তির পথ আটকাতে। আমরা আন্দোলন করছি নিজেদের দাবি আদায়ে। নিজেদের সিদ্ধান্তে।’