নিউইয়র্কে নিহত বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও'র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন তার স্বজনেরা।
১৯ জুলাই নিউইয়র্ক উইন্ডসর শহরে নূর মুসলিম কবরস্থানে সামাজিক দূরত্ব মেনে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সেখানে ফাহিমের পরিবারের লোকজন ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। প্রিয় বন্ধুকে বিদায় দিতে গিয়ে কান্নায় ভাঙায় পড়েন স্কুলের সহপাঠীরা।
করোনা পরিস্থিতিতে আধাঘণ্টার মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। পুলিশি পাহারায় দুপুর সাড়ে ১২টায় লাশবাহী গাড়ি করে ফাহিম সালেহকে আনা হয়। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাকে দাফন করা হয়।
১৪ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিম সালেহের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, হত্যার পর বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে ফাহিমকে কাটা হয়েছে। করাতটি পাশেই পড়ে ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশ ভরা ছিল একটি ব্যাগে।
ফাহিমের মরদেহ টুকরো করা শেষে সেগুলো ব্যাগে ভরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল ঘাতকের। তবে তার আগেই ফাহিমের খালাতো বোন এসে কলিংবেল চাপতে থাকলে ভয়ে সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে যায় সে।
তবে ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খুনী টাইরিস হাসপিলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হাসপিল ফাহিমের ব্যক্তিগত সহকারী। আর্থিক কারণে এই খুনের ঘটনা ঘটায় সে। যদিও আদালতে হাসপিল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছে।
ফাহিম প্রযুক্তি জগতে নিজের পথচলা শুরু করেন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে। এরপর ধীরে ধীরে নিজেকে ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত পাঠাওয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে নাইজেরিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশে রাইড শেয়ারিং ব্যবসা শুরু করেন।