প্রায় হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৫০৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। গতকাল সোমবার করপোরেশনের বোর্ড সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়। গত অর্থবছরে ডিএনসিসির বাজেট ছিল ৩ হাজার ৫৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আর সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৬০৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
ডিএনসিসির গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মশক নিধন কার্যক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। গত অর্থবছরের চেয়ে এ খাতে প্রায় ২১ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ খাতে প্রায় ৪২ কোটি টাকার মশার ওষুধ কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে এবার ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মেয়রের ঐচ্ছিক তহবিলে এবার ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এবার ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আতিথেয়তা ও উৎসব খাতে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে এ খাতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৮ কোটি টাকা।
ডিএনসিসি জানায়, এবার রাজস্ব খাতে ৯৬১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৫০ কোটি টাকা কম। এবার করের মধ্যে গৃহকর, পরিচ্ছন্নতা ও আলোকসজ্জা খাতে সংস্থাটি ৪০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। গত অর্থবছরে এই খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৪০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে মাত্র ২১০ কোটি টাকা।
বাজেট সম্পর্কে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এ বাজেটে রাজস্ব ব্যয়কে সীমিত রেখে উন্নয়ন ব্যয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ বছর মশক নিধন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নতুন ওয়ার্ডের উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মূলত গৃহকর, ট্রেড লাইসেন্স ও সম্পত্তি হস্তান্তর ফি আদায় কম হওয়ায় রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি বলেও জানান তিনি।