বন্যায় পদ্মানদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হচ্ছে ঢাকার দোহার উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো। এমন পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি মানুষ।
এমন দুর্দশায় পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় বানভাসি মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুর রহমান।
শনি ও রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার নারিশা, সুতারপাড়া ও বিলাসপুর ইউনিয়নে প্লাবিত এলাকায় দুস্থ ও অসহায় এক হাজার পরিবারের মাঝে নিজ হাতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় পানিতে নেমে প্রতিটি এলাকায় নিজ হাতে খাদ্যসামগ্রী ও শিশুদের মাঝে বিস্কুট তুলে দেন চেয়ারম্যান।
এছাড়া নৌকাযোগে, আবার কখনো পানিতে নেমে বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়া প্রতিটি পরিবারের খোঁজখবর নেন তিনি। খাদ্য হাতে নিজ দুয়ারে মো. মাহাবুবুর রহমানকে দেখে আবেক আপ্লুত হয়ে পড়েন দুস্থ ও অসহায় পরিবারের অনেকে।
বিলাসপুর ইউনিয়নের মানিক খাঁ বলেন, ১৯৯৮ সালে বুক পানিতে নেমে আমাদের এলাকায় খাবার দিয়ে গেছে। আজো সেই একইভাবে এলাকায় ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়ে গেল। অনেক নেতাই দেখেছি কিন্তু মাহাবুবুর রহমানের মতো এভাবে পানিতে নেমে কেউ আসেনি ত্রাণ দিতে।
ত্রাণ বিতরণকালে মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘আমি অপনাদের মাহাবুব’ ১৯৮৮ ও ৯৮ সালে যেভাবে বানভাসি মানুষের পাশে ছিলাম বর্তমান করোনা ও বন্যা পরিস্থিতিতেও পাশে আছি। যতদিন বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন আমি অপনাদের পাশে থাকবো। আপনাদের জন্য আমার দুয়ার সব সময় খোলা থাকবে।
ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা শেখ সাহাবুদ্দিন, কাউসার খালাসি, হাবিবুর রহমান হাবিব, গোলাম মস্তফা, মিজানুর রহমান মিজান, মোশারফ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা আওলাদ হোসেন প্রমুখ।