আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যসহ ৪ জনকে আটক করেছে র্যাব-৪ এর একটি দল। এ সময় তাদের কাছে থাকা ও ব্যবহৃত মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।
রবিবার রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার শ্যামপুর গ্রামের মৃত তসলিম উদ্দিনের ছেলে মো. মমিনুর রহমান (৩৫)। তিনি বর্তমানে আশুলিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত, নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামের মো. আবদুল লতিফের ছেলে মাইক্রোবাস চালক আবদুল হামিদ (৩২), গাইবান্ধা জেলার সদর থানার চৌদ্দগাছা গ্রামের মৃত তোফাজ্জল মিয়ার ছেলে ওয়াহেদ (৪০) ও অপরজন জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার চরগুহিন্দি গ্রামের মো. সরুজ শেখের ছেলে ওয়াজেদ শেখ (২৩)।
নুর উদ্দিন পাটোয়ারী নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় নুর মেডিকেল হল নামে আমার একটি ওষুধের দোকান আছে। গত বুধবার (২২ জুলাই) রাতে আমার ওষুধের দোকানে বিক্রি নিষিদ্ধ ওষুধ রয়েছে দাবি করেন। পরে তারা আমাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করে। পরে রবিবার রাতে (২৬ জুলাই) দাবি করা বাকি টাকা নিতে আসার কথা জানায় তারা। আশুলিয়ার নবীনগর র্যাব-৪ এর সিপিসি-২কে বিষয়টি অবহিত করি। র্যাব ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের অপেক্ষায় থাকে। তারা আসলে র্যাব তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে।
এ বিষয়ে র্যাব ৪ এর সিপিসি-২ কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জমির উদ্দিন জানান, ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবির খবর পেয়ে আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করি। এর মধ্যে আশুলিয়ার থানার একজন পুলিশ সদস্য রয়েছে। এ সময় তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, জাল টাকা, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংকের ১৬ এটিএম কার্ড পাওয়া যায়।
আটকদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতির বিষয়ে মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হবে। দুইটি মামলা ভুক্তভোগী নুর উদ্দিন বাদী হবেন ও বাকি দুইটি র্যাব -৪ বাদী হবে বলেও জানান তিনি।