মারা গেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে সোমবার বেলা ১১টার দিকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়।

এরপর রাত দেড়টার দিকে শফিউল বারীকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এখানেই তার মৃত্যু হয়।

বেশ কিছুদিন ধরে বাবু ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন বলে জানান স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি গোলাম সারোয়ার। তিনি বলেন, শফিউল বারী বাবু বেশ কিছুদিন ধরে ফুসফুসে সংক্রমণজনিত  রোগে ভুগছিলেন। এর ফলে তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি রাজধানীর ইস্কাটনের বাসাতেই ছিলেন। কিন্তু সোমবার হঠাৎ করে তার শ্বাসকষ্ট  বেড়ে গেলে দ্রুত তাকে আনোয়ার খান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে তার করোনা পরীক্ষা করা হলে ফলাফল নেগেটিভ আসে। 

শফিউল বারী বাবুর প্রথম জানাজা মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। মরদেহ বাবুর জন্মস্থান লক্ষীপুর রামগতিতে নেওয়া হবে। এরপর উপজেলায় বাদ আসর নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হবে।

সকালে শফিউল বারী বাবুর মরদেহ মোহাম্মদপুর আল মারকাজুলে গোসল করানো হয়। এরপর নিউ ইস্কাটন বিএম-এর গলিতে মরহুমের বাসার সামনে রাখা হয়।

শফিউল বারী বাবুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা আকন কুদ্দুর রহমান, তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন বাবু।