করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১২ হাজার ৭১৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২ হাজার ৯০৭ জনের শরীরে।
দেশে গত মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার জনে।
আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ২৯ হাজার ১৮৫ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৩১ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ জন।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩.২৮ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৫.৫৯ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে মঙ্গলবার দুপুরে এসব তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
চব্বিশ ঘণ্টায় যারা মৃত্যু বরণ করেছেন তাদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ, নয়জন নারী। তাদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের, বাড়িতে আটজনের এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে একজনকে।
এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে মৃত্যুবরণ করেছেন সর্বোচ্চ ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে মৃত্যুবরণ করেছেন পাঁচজন, সিলেট, খুলনা বিভাগে চারজন করে, রাজশাহী, বরিশাল বিভাগে তিনজন করে এবং রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুজন করে।
বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ৬১-৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে, ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে ৫১-৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে চারজনের বয়স ৮১-৯০ এর মধ্যে, ৪১-৫০ ও ৭১-৮০ বছরের মধ্যে রয়েছে তিনজন করে এবং দুজনের বয়স ৩১-৪০ বছরের মধ্যে।
সবশেষ একদিনে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৭১৩ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ৭৩২ জন; বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৯৮৮ জন।
এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯৯২ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৫২৩ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন।