এক নির্ঝরের গানে মুন-প্রমিতির ‘আমি কি আমাকে চিনি?’

গীতিকার-সুরকার, নির্মাতা ও স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝরের কথা ও সুরে ঈদুল আজহায় প্রকাশ হচ্ছে ১৬ গানের অ্যালবাম ‘আমি কি আমাকে চিনি?’

বেঙ্গল ক্লাসিক টি-এর সহযোগিতায় ইকেএনসি নিবেদিত গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন অটামনাল মুন ও শানিলা ইসলাম প্রমিতি।

ছয়টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন মুন, বাকিগুলোর শিল্পী প্রমিতি। সব গানের সংগীতায়োজন করেছেন মুন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় অ্যালবামটির ব্যতিক্রমী এক প্রিমিয়ার।

ইকেএনসি’র ফেইসবুক পেজে আয়োজিত লাইভ অনুষ্ঠানে নিজ নিজ অবস্থান থেকেই যোগ দেন দেশবরেণ্য শিল্পীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগীত পরিচালক ও সুরকার শেখ সাদী খান, সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী, গীতিকার জুলফিকার রাসেল, সংগীতশিল্পী আগুন, রুমানা ইসলাম, সিটি গ্রুপের ব্র্যান্ড ম্যানেজার রুবাইয়াৎ হোসেন, সংগীতশিল্পী কোনাল, অটামনাল মুন, শানিলা ইসলাম প্রমিতি এবং গীতিকার-সুরকার এনামুল করিম নির্ঝর। এ ছাড়া অডিও বার্তায় স্বাগত জানান কুমার বিশ্বজিৎ।

গায়িকা প্রমিতি কিংবদন্তি নির্মাতা খান আতার নাতনি। তার মা রুমানা ইসলাম যেমন গান করেন, মামা আগুনও দেশের খ্যাতিমান শিল্পী। এমনই এক সাংস্কৃতিক পরিবারের উত্তরাধিকার যখন তার সংগীতজীবনের প্রথম আত্মপ্রকাশ মুহূর্তে উপস্থিত, নিশ্চয়ই তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষণ— এমন মতামত ছিল অতিথিদের।

আরও বলেন, শ্রোতাদের কাছে ইতিমধ্যেই গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন অটামনাল মুন। নিশ্চয়ই বরাবরের মতো এবারও সবাই উপভোগ করবে তার সুর ও কণ্ঠ।

অ্যালবামটির রূপকার এনামুল করিম নির্ঝর বলেন, “গান শোনার প্রযুক্তি, মাধ্যম ধারণা ও রুচির  ক্রমবিবর্তনের এই সময়ে, এক নির্ঝরের গান চেষ্টা করে যাচ্ছে এক ধরনের সংযুক্তির প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে। নতুন বাংলা গান নির্মাণকে কেন্দ্র করে কণ্ঠশিল্পী, সংগীতায়োজক, যন্ত্রশিল্পী, প্রযুক্তিবিদ, শব্দশিল্পী, পৃষ্ঠপোষকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে শ্রোতাদের সম্প্রীতি বন্ধন আমাদের লক্ষ্য। ২০২০ সালের এই অচেনা আচমকা দুঃসময়ে কীভাবে সংগীতনির্ভর মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের কাজে সক্রিয় রাখা যায়, সেই চেষ্টার চালু করতেই এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রকাশিত হলো অ্যালবামটি।”

‘আমি কি আমাকে চিনি?’ এমন শিরোনাম প্রসঙ্গে বলেন, “প্রচন্ড বিচ্ছিন্নতার মধ্যে, যে যার মতো করে নিজস্বতার ঘোরে আমরা এই প্রশ্নটা করতেও ভুলে যাচ্ছি ক্রমশ। যেন এমন বাস্তবতাই আমাদের নিয়তি। তাই প্রশ্নবোধক মনটাকে একটু উসকে দিতে দোষ কী? আর তার সাথে যদি যোগ হয় সুর, তাহলে বেসুরো সময়টাও হয়তোবা মনের নাগালে আসলেও আসতে পারে! এই অ্যালবামের গানগুলো মূলত চারপাশের অভিব্যক্তি ও সংস্পর্শ অবলোকন পরবর্তী এক ধরনের সাংগীতিক বিবৃতি! ”

শুক্রবার থেকে প্রতিদিন একটি করে গান প্রকাশিত হবে ইকেএনসি-এর ফেইসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অ্যালবাম প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানের লিংক: আমি কি আমাকে চিনি?