ব্রিটেনে ফিরে শামীমা বেগমকে আইনি লড়াই চালানোর যে অনুমতি দেয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে দেশটির সরকার আবার আপিল করতে পারবে। নতুন করে শুনানির পর শুক্রবার এই আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্কুল পালিয়ে আইএসের দলে নাম লেখানো শামীমা দেশে ফিরে নাগরিকত্ব রক্ষার আইনি লড়াই করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নেবে।
এর আগে গত ১৬ জুলাই দ্য কোর্ট অব আপিল সরকারের বিপক্ষে রায় দিয়ে বলেন, শামীমাকে অবশ্যই দেশে ফিরে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ দিতে হবে।
২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্কুলপড়ুয়া তিন তরুণী যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় আইএসের সঙ্গে যোগ দেন। এদের মধ্যে শামীমা বেগম (২০) এবং খাদিজা সুলতানা (২১) ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। তারা পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি-অধ্যুষিত বেথনাল গ্রিন একাডেমি নামের একটি স্কুলের ছাত্রী ছিলেন।
সিরিয়ায় আইএস কোণঠাসা হওয়ার পর শামীমাকে একটি ক্যাম্পে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে ২০১৯ সালে ব্রিটেনের ‘হোম অফিস’ থেকে তার নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়। ঢাকার পক্ষ থেকেও সাফ জানিয়ে দেয়া হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে তার নাগরিকত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। শামীমা নিজেও একাধিকবার বলেছেন, বাংলাদেশ নয়; তিনি ব্রিটেনেই ফিরতে চান।