সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে কম করোনার নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। এই সময়ে পূর্বের নমুনাসহ ৩ হাজার ৬৮৪ টি টেস্টে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৮৬৮ জনের শরীরে। তাতে সরকারি হিসেবে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে।
দেশের কভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, নতুন সংক্রমণসহ দেশে মোট করোনার আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৭ জনে।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।
দেশে করোনারোগী সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়ায় ২ জুন। এরপর করোনার সংক্রমণ আরও দ্রুততর হয়েছে।
অর্ধ লাখে পৌঁছানোর মাত্র ১৬ দিনে গত ১৮ জুন দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। সেখান থেকে তা দেড় লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ১৪ দিন; ২ জুলাই দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন।
বাকি সাত দিনে শনাক্তের সংখ্যা ছাড়ায় পৌনে দুই লাখ। ৯ জুলাই দেশে কোরোনারোগী ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জন। সেখান থেকে শনাক্ত ২ লাখ ছাড়ায় ১৮ জুলাই, নয় দিনে। দু্ই লাখ ১০ হাজার ছাড়ায় ২১ জুলাই।
এর চার দিনের মাথায় তথা ২৫ জুলাই দেশে আক্রান্ত দাঁড়ায় ২ লাখ ২১ হাজার। সেখান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার ছাড়াতে সময় লাগে আর চার দিন। অর্থাৎ ২৯ জুলাই দেশে শনাক্তের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৩২ হাজার। চারদিনের মধ্যে হাজারের সংখ্যাটি ৪০ ছাড়াল।
এদিকে আক্রান্তদের মধ্যে সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় ২২ জনসহ মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ১৫৪ জনের। আর ৫৮৭ জনসহ সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৭৯ জন।
সুস্থ-মৃত্যু বাদ দিলে দেশে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে ১ লাখের কিছু বেশি।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৪.০৫ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৬.৮৪ শতাংশ।