প্রাথমিক শিক্ষা-সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি

মডেল টেস্ট : প্রাথমিক বিজ্ঞান

বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

১.         ফ্রিজে খাদ্য সংরক্ষণের তিনটি সুবিধা লেখো। জাঙ্ক ফুড পরিহারের তিনটি কারণ লেখো।

২.         খাদ্যে ব্যবহার করা হয় এমন একটি রাসায়নিক পদার্থের নাম লেখো। খাদ্যে কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের চারটি ক্ষতিকর দিক লেখো। কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে তোমার একটি করণীয় লেখো।

৩.         সুষম খাদ্যে কটি উপাদান থাকে? যারা বেশি পরিশ্রম করে তাদের পরিমিত খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন কেন এক বাক্যে লেখো। অতিরিক্ত খাবার খাওয়া নিরুৎসাহিত করতে তুমি কী করবে তা চার বাক্যে লেখো।

৪.         ব্যবসায়ীরা কেন খাদ্যে ক্যালসিয়াম কার্বাইড মেশান, তা এক বাক্যে লেখো। নিয়মিত রাসায়নিক দ্রব্যমিশ্রিত খাবার খেলে যেসব রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তার মধ্যে দুটির নাম লেখো। কাউকে খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য মেশাতে নিরুৎসাহিত করতে তাকে দেওয়া দুটি পরামর্শ লেখো।

৫.         হিমাগারে রাখা হয় এমন দুটি খাদ্যের নাম লেখো। খাদ্য সংরক্ষণের চারটি গুরুত্ব লেখো।

৬.         খাদ্য সংরক্ষণ কী? খাদ্য সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় লেখো।

৭. খাবারে মেশানো হয় এমন দুটি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের নাম লেখো। নিয়মিত প্রয়োজনীয় খাবার গ্রহণ না করার ফলে সৃষ্ট চারটি সমস্যা লেখো।

৮.         ছয়টি খাদ্য দল কী কী? খাদ্য সংরক্ষণের দুটি উপায় লেখো।

৯.         সুষম খাদ্য কাকে বলে? আমাদের শরীরের জন্য কেন সুষম খাদ্য প্রয়োজন তা দুটি বাক্যে লেখো। আমাদের জীবনের জন্য পানি কেন তাৎপর্যপূর্ণ, তা তিন বাক্যে লেখো।

১০. একটি বার্গারে বিভিন্ন ধরনের খাবার যেমন গরু ও মুরগির মাংস, টমেটো, লেটুস, পনির, পাউরুটি ইত্যাদি থাকে। তারপরও খুব বেশি বার্গার খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর কেন ছয় বাক্যে লেখো।

উত্তর

বর্ণনামূলক প্রশ্নের উত্তর

১.         ফ্রিজে খাদ্য সংরক্ষণের তিনটি সুবিধা

            ক. খাদ্য সংরক্ষণে খাদ্য অপচয় রোধ করে।

            খ. দ্রুত পচন থেকে খাদ্যকে রক্ষা করে।

            গ. মাছ, মাংস ও সবজি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পচে নষ্ট হয় না।

            জাঙ্ক ফুড পরিহারের তিনটি কারণ

            ক. জাঙ্ক ফুড খেলে পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়।

            খ. অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পায়।

            গ. মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে।

২.         খাদ্যে ব্যবহার করা হয় এমন একটি রাসায়নিক পদার্থের নাম হলো কার্বাইড।

            খাদ্যে কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের চারটি ক্ষতিকর দিক

            ক. যকৃৎ ও বৃক্ক অকার্যকর হতে পারে।

            খ. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

            গ. ক্যানসারের মতো রোগ হতে পারে।

            ঘ. অস্থিরতা ও অমনোযোগিতার সৃষ্টি হয়।

            কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে আমার একটি করণীয় হলো এ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা।

৩.         সুষম খাদ্যে ছয়টি খাদ্য উপাদান থাকে। যারা বেশি পরিশ্রম করে তাদের দেহে বাড়তি শক্তি জোগান দেওয়ার জন্য নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন।

            অতিরিক্ত খাবার খাওয়া নিরুৎসাহিত করতে আমি যে বিষয়গুলো বোঝাব

            ক. অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ফলে শরীর মুটিয়ে যায়।

            খ. দেহে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়।

            গ. শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

            ঘ. ক্ষুধামান্দ্য, বদহজম প্রভৃতি দেখা দেয়।

৪.         ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন প্রকার ফল সময়ের আগেই পাকানোর জন্য ক্যালসিয়াম কার্বাইড মেশায়।

            নিয়মিত রাসায়নিক দ্রব্যমিশ্রিত খাদ্য খেলে যেসব রোগ হতে পারে তার মধ্যে দুটি হলো

            ক. যকৃৎ ও বৃক্ক অকার্যকর হওয়া।

            খ. ক্যানসার হওয়া।

            খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য মেশাতে নিরুৎসাহিত করতে আমি যে পরামর্শ দুটি দেব তা হলো

            ক. ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো খাবারের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে বলব।

            খ. এসব কাজ যে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ তা জানাব।

৫.         হিমাগারে রাখা হয় এমন দুটি খাদ্য হলো আলু ও পেঁয়াজ।

            খাদ্য সংরক্ষণের চারটি গুরুত্ব

            ক. খাদ্য সংরক্ষণ অপচয় রোধ করে।

            খ. দ্রুত পচন থেকে খাদ্য রক্ষা করে।

            গ. খাদ্য সংরক্ষণ খাবারে পচন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়।

            ঘ. খাদ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন মৌসুমি খাদ্যদ্রব্য সারা বছর পাওয়া যায়।

(বাকি উত্তর আগামীকাল)